সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যা / অলোক কুমার কুণ্ডু (লেখকঃ প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যা/ অলোক কুমার কুণ্ডু (লেখকঃ প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক) • অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল পরিবারের মহিলাদের কথা বলা থাকলেও ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার কিন্তু অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল পরিবারের মহিলাদেরও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছিল। তাই বিজেপি সরকার কিন্তু তাদের পূর্ব ঘোষণা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না। • এই টাকা কিন্তু ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে      (ডিবিটি) ঢুকবে। ফর্ম ভরার সময় হাতের কাছে লাগবে উপভোক্তার (১).আধার কার্ড (২). রেশন কার্ড (৩). ভোটার আইডি কার্ড (৪). ব্যাঙ্ক পাশ বই ও একটা ক্যানসেল চেক (৫). উপভোক্তার নিজের আধার লিঙ্ক মোবাইল নম্বর (৬).একটা নিজের আয়ের বিবরণ (৭). পাসপোর্ট সাইজ রঙিন (ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা) ফটোগ্রাফ (৮). বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ (৯). জাতিগত শংসাপত্র (১০). লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়ার ডকুমেন্ট। (১১). পারিবারিক আয়ের একটা স্ট্যাটাস (১২). ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস (১৩). বাড়ির বিবরণ ও স্ট্যাটাস যেরকম ফর্মে রয়েছে। মনে রাখতে হবে নাম ও জন্মতারিখের জটিলতার জন্য কিন্তু এসআইআরে অনেকে ভোটারের নাম ...

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যাঃ অলোককুমার কুণ্ডু

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যা/ অলোক কুমার কুণ্ডু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মের জটিলতা নেই। কিন্তু চায়ের দোকানে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া লোকজন এটাকে জটিল করছে। আজ একজন একটা ব্যাঙ্কের মধ্যে বলছিল একজনকে পাবেন না। আমি তাঁকে বললাম শুধু আপনার নামে রেশন কার্ড ও আধার কার্ড ও মোবাইল নম্বর আধারে যুক্ত থাকতে হবে। এইটুকু থাকলেই হবে। যা আছে সব সত্যি দেবেন। যা নেই দেওয়ার জায়গায় না লিখবেন। সবাই পারবে। যদি আপনি নিজে চাকরি/ পেনশন/ ফ্যামিলি পেনশন পেয়ে থাকেন পাবেন না। আয়কর ফাইল জমা করলেই আয়করের আওতায় পড়বেন না বহুজন তাই চিন্তা নেই যা সত্যি জানাবেন। আপনি পাবেন। আপনি যদি টেম্পোরারি বা কন্ট্রোকচ্যুয়াল বেসিসে কাজ করেন তাতেও পাবেন। সবার আগে চাই আপনার নামে রেশন কার্ড। বাড়ির কারো সঙ্গে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলে সেই অ্যাকাউন্ট এখানে দেবেন না। যদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন সেই অ্যাকাউন্ট গ্রামীণ ব্যাংক বন্ধন ব্যাংকে ছিল। ওইসব ব্যাঙ্কে এখন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যাবে না। তাই "ন্যাশনাল ব্যাংক"-কে নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করে তার সঙ্গে আধার আগে যুক্ত করুন। আধার লিঙ্ক না থাকলে আপনার ব্যাংকে টাকা ঢুকবে না য...

আসলে একজন অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী আর একজন যোগ্য বিরোধী নেত্রী এই দুটিকে আমরা সকলে একটি মাত্র সোনার পাথর বাটি ভেবেছিলাম। অলোক কুমার কুন্ডু

আসলে একজন অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী আর একজন যোগ্য বিরোধী নেত্রী এই দুটিকে আমরা সকলে একটি মাত্র সোনার পাথর বাটি ভেবেছিলাম। ------------------------------------------ তারক সিং কিছু ভুল বলেনি। এরা তো পুরনো কংগ্রেসি। তাই সবকিছু বুঝেছে। তারক আসলে মমতা ব্যানার্জীর মুখোশ খুলে দিয়ে ছাল-চামড়া গুটিয়ে দিলেন। যা যা বলেছেন, তা একেবারে নির্মম সত্য। মমতা ব্যানার্জীর ভাইদের একটা ছাপোষা বালির গোলা ছিল। ছাত্র পরিষদ করার সময় মমতা ব্যানার্জীর দ্বিতীয় একটা শাড়ি ছিল না। আমাদের কলকাতা ডি.আই অফিসে গিয়ে প্রাইমারি শিক্ষকের চাকরির জন্য বসে থাকতেন যখন, তখন তার পরণে থাকতো ছেঁড়া সেফটিপিন লাগানো শাড়ি। তখন তিনি দুধের ডিপোয় কাজ করতেন।মমতা ব্যানার্জীর বাড়ির ২০০৯/২০১০/২০১১-এর ভিডিও রয়েছে আমার কাছে, ওনাদের সাকুল্যে তিনটি মাত্র ঘর। পেছনে একটা বাথরুম ও একটা রান্নাঘর। সব টিনের চাল। শুধুমাত্র দুটিঘর একতলা ছাত ঢালাই ছিল। পেছন দিকে ছোট খোলা সিঁড়ি ওই একতলা ছাদে ওঠার জন্য। একটা ছোট অফিস ঘর ছিল। চারিদিকে সব ফাঁকা। ধীরে ধীরে পাশের মিটিংয়ের ঘর টিনের চালা ২০১১-এর নির্বাচনের আগে তৈরি হয়। আমার কাছে ২০০৯-এর সাংবাদিক সম্...

তৃণমূল গ্রামেগঞ্জে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে

           অভিষেক না হয় ধরে নেওয়া হলো একটা আনাড়ি, টাকার লোভ পরিত্যাগ করতে পারেনি, ছোট থেকে অঢেল হাতে টাকা পয়সা বাড়িতে আসতে দেখে অর্থের পেছনে ছুটেছিল। ভালোমন্দ পেয়ে, আরো খাই আরো খাই করেছে। কিন্তু যে মমতা ব্যানার্জী দিনের পর দিন বাম জমানার খুন জখমের বিরুদ্ধে রীতিমতো লড়েছিলেন একদা। লড়াকু নেত্রী হিসেবে উঠে এসে তিনি কীভাবে মানুষকে দিনের পর দিন নিপীড়ন করতে দেখেও সব ছেড়ে দিলেন গা ভাসালেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী। কোনও পুলিশ অফিসার, কোনও এমন কেউ একজন ছিলেন না, যিনি একটি বারও সতর্ক করলেন না তাঁকে। এত কাগজে লেখালিখি হলো, এত মিডিয়া কভারেজ হলো, কিছুই তিনি দেখলেন না। লকাপে পিটিয়ে মারা হলো, গ্রাম থেকে উৎখাত হয়ে গেল একের পর একটা পরিবার। হাইকোর্টে সুপ্রিম কোর্ট এত করে বললেন বিচারপতিরা। সব কিছু মুখ্যমন্ত্রী ভ্যানিশ করে দিলেন। এত রিগিং হলো। ভোট দিতে পারলো না শত শত লোক। খুনের পর খুন হয়ে গেল। বাড়ির পর বাড়ি জ্বললো। সব উনি দেখেও দেখলেন না। একটা ঘটনা নয়।             প্রতিটি জেলায় শত শত ঘটনাকে এইভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রী দেখেও দেখলেন না ...

[•] নির্বাচনে হিন্দু মুসলমান বিরোধের কারণেই এইবারে বিজেপির জয়ঃ লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

[•] নির্বাচনের প্রাক্কালে গত ১৯ মার্চ, ২০২৬-এ ফেসবুকে এই টেক্সট পোস্ট আমি করেছিলাম। ©® অলোককুমার কুণ্ডু  -------------------------------------        [•] আমাদের চিন্তা করে দেখা দরকার কারা এবং কবে থেকে হিন্দুদের মধ্যে মুসলমান বিরোধিতা এবং মুসলমানদের মধ্যে হিন্দু বিরোধিতা জাগিয়ে তুললো। আগে যেটা শুধুমাত্র ধর্ম কেন্দ্রিক ছিল, তাকে কে বা কারা হঠাৎ করে রাজনীতিকরণ করে দিল। হিন্দুরা কি মুসলমানদের জমিজমা, অন্ন বস্ত্রের বিরোধিতা করেছিল কখনও? এক কথায় করেনি। বললে বিশ্বাস করবেন না, বিজেপির মুখেও এত মুসলমান বিরোধিতা কখনও শোনা যেত না। এক গোধরাকে নিয়ে কিছু মানুষ, দিনের পর দিন এমন টেনে যেতে থাকলো যে, গোধরাকাণ্ড কবে হয়ে গেলেও তার হিসেব চলছে এখনও, কবে যে এর শেষ তা কেউ জানেন না। এর মূলে রয়েছে রাজনৈতিক দলের বদান্যতা। যার ফলে বিজেপিতে যেসব মুসলিম রয়েছে বা এসেছেন, তাদেরকেও মুসলমানরা গালাগালি শুরু করে দেয়। অথচ ভারতের ২০ টি রাজ্যে বিজেপি রয়েছে আর এখানকার, পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান ছেলেমেয়েরা দিব্যি সেখানে গিয়ে কাজ করে চলেছেন। এইবারে তাদের অনেকেই এখানে মুসলমান ভোটের একদলীয় ব্যবস্থা...

বিগত সরকারের মতো তৃণমূল দলটাও উঠে যাবে। লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু (প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

        নির্বাচনের বহু আগে থেকেই এমনকি ২০২০ থেকেই লিখেছিলাম, তৃণমূল দলটা আসলে একটা ছোটলোকের দল। মাপ করবেন, আমার শ্বশুর বাড়ির অনেকেই তৃণমূল করতো এখন হয়তো আর করবে না, কিন্তু করে তো ছিল, অর্থাৎ বলতে চেয়েছিলাম যারা প্রত্যক্ষভাবে পুরোপুরি দলটা করতো, সাপোর্টার নয় তারা কেউ ভদ্রলোক ছিল না। তাই বলে কি আমার শ্বশুর বাড়ির কাউকে বলতে পারবো, তারা সব ছোটলোক। এরকম বলার আমার উদ্দেশ্য নয়। যারা মিছিলে যায়, পোস্টার মারে, দেওয়াল লেখে এবং কোনও না কোনও সুবিধা নেয়, তারা ওই ছোটলোকের মধ্যে পড়ে। কি করবো তাতে একশো জনের মধ্যে ২/১০ জন ভালো তো থাকতেই পারেন। আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই ভালোর দলে। তৃণমূলের কেউ ভদ্রলোক থাকলে ছিলেন অবশ্যই। কিন্তু আমার বলার উদ্দেশ্য যারা ছিলেন, তাদের অধিকাংশই আজ মারধর খাচ্ছেন।        মারধরের বাইরেও যারা ছিলেন, বিজেপি জেতার পর আমার পোস্টে এসে নিজেদের তালেবর সমাজসেবী সেজে আমার পোস্টে একটু আধটু লিখে মনে করছিলেন বুঝি আমি তাদের ধরতে পারিনি। এইসব ফোড়ের দল মোটেও বুঝতে পারেনি তৃণমূল হেরে যেতে পারে। এরা কেউ কেউ আমাকে বাধা দিলেও চাঁচাছোলা ভাষায় দি...

ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

            ভালো তৃণমূল কোথায় পাবেন ? এই প্রশ্ন খুব আমার কাছে কঠিন ছিল না, আছে কিছু ভালো তৃণমূল। একেবারে সত্যি কথা যে তৃণমূলের লোকজন চোর ছাড়া আর কিছু ছিল না। যারা দু-নম্বরি আয় করতে চেয়েছিলেন তারা তৃণমূলে ভিড়ে ছিলেন। উপর থেকে নিচতলা পর্যন্ত দুর্নীতি আর দুর্নীতি। বিগত জমানায় আমাদের হাওড়ার ডিপিএসসিতে এবং সেকেণ্ডারি ডি.আই অফিসে একদল শিক্ষক এসে নাকি প্রতিদিন বসে থাকতেন " এদের নাম দেওয়া হয়েছিল দালাল।" এরা স্কুলে পড়াতেন না, এদের মধ্যে কয়েকজনকে দেখা গিয়েছিল বিএলও-ইউনিয়নের হয়ে কলকাতায়  জয়বাংলা বলতেন, ইলেকশন কমিশনের ফুটপাতে। এরা দেশে বিদেশে নিত্য বেড়াতে যেতেন, কিন্তু একদিও ছুটি নেননি। যারা তৃণমূলের শিক্ষক হিসেবে প্রশাসনের হেডে বসেছিলেন তারা বেমালুম দু-জায়গায় বে-আইনিভাবে বেতন নিয়েছেন। এইসব শিক্ষক দু হাতে পয়সা কামিয়েছেন। লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা উঠেছে, ডিআই অফিসগুলোতে। শিক্ষকরা যেসব পেনশন ফাইল জমা দিয়েছেন তার ফয়সালা হয়নি দীর্ঘদিন, সঙ্গে পয়সা না দেওয়ার ফলে। ছুটি অনুমোদনে পয়সা, পিএফ লোনে পয়সা, বদলি হলে তো মোটা টাকা। কয়েক বছর আগে গ্রামের ...

ক্যামেরার কারসাজি ফুস্ঃ লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

অনেকেই জানেন না যে, ক্যামেরা যারা বসিয়েছিল তাদের পেছন থেকে কেউ কেউ ক্যামেরাকে দেওয়ালে ছোট ছোট স্ক্রু দিয়ে আটকাতে বলেছিল। যাতে সহজে খুলে যায় এবং মুখ ঘুরে যায় ( বিডিও অফিসের যিনি টেন্ডার দিয়েছিলেন তিনি কলকাঠি নেড়ে থাকেন) যার ফলে ২০২১/ ২০২৪-এ ভোট শুরুর সময় কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঝুলে পড়ে ছিল কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঘুরে গিয়েছিল কিন্তু এইবারে যারা নির্বাচন কমিশনের হয়ে মণিটরে চোখ রাখছিলেন, তারা প্রিসাইডিং অফিসারকে ফোন করেন এবং তারপর সেক্টর অফিসারকে ধরে ক্যামেরা ঠিক করে বসানো হয়। এর আগে ক্যামেরার মুখে গামছা দেওয়া হতো তৃণমূলের ডায়মন্ডহারবার মডেলের ( আইপ্যাকের) উদ্যোগে সেইসব নির্বাচন কমিশন ধরে ফেলেছে। আসলে ২০২১-এই প্রক্রিয়া খতম হয়ে গিয়েছিল তা তৃণমূল আগেই বুঝে গিয়েছিল। কিন্তু বেশ কিছু হিন্দু বাঙালিদের এত তৃণমূল ভক্তি যে, তারা প্রতি কথায় প্রতি আলোচনা, খালি বলতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছে। আরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যদি দিয়েছে তো, গণনায় পর্যন্ত রিগিং করতে হয় কেন? ডায়মন্ডহারবার মডেলকে কাজে লাগাতে হয় কেন। বিজেপির কর্মীদের হাত-পা ভাঙা না হয় ছেড়েই দিলাম। ভয় দেখিয়ে গ্রামের পর ...

[] নির্বাচন কমিশনের খেল ও মানুষের স্বস্তিলেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

     •ফেসবুকে আমি গত ০১/০৫/২০২৬-এ এই পোস্ট করেছিলাম। পুণরায় এখানে দেওয়া হলোঃ ১). লক্ষ লক্ষ মানুষ বলেছেন এইরকম শান্তিতে ভোট দিতে কখনও পারিনি, অভূতপূর্ব। ২). প্রতি জেলায় প্রায় লাখ খানেক মানুষ, যারা ভোট দিতে পারতেন না তারাও ভোট দিলেন  ৩). এমনও হয়েছে, অন্ততপক্ষে ২০/৩০ হাজার মানুষ ভোট দিতে এসে এইবারেও ফেরত গিয়েছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের আইন অনুযায়ী বাড়ি থেকে ডেকে এনে ভোট দিতে সাহায্য করেছে ৪). কোনো বোম পড়েনি কারণ বোম পড়লেই NIA তদন্ত হতো  ৫). বহুভাবে বহু বিএলও-রাও বোগাস দিতে সাহায্য করে ছিল এবারেও কিন্তু কমিশনের কড়াকড়িতে তা তাদের অনুকূলে শেষ রক্ষা হয়নি  ৬). কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অন্ততপক্ষে  হাজার দশেক লোকের পিঠে হাতে পায়ে লাঠির চিহ্ন আঁকতে পেরেছেন। সাধারণ জনগণ এতে এত আনন্দ পেয়েছে যে বলার নেই ৭). আগে থেকে তৃণমূল কিছু প্রিসাইডিংকে তাদের পক্ষে ভোট টানার কলাকৌশলের গোপন ট্রেনিং দিয়েও, শেষ পর্যন্ত তারা কিছু করতে পারেনি ৮). সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বুথের মধ্যেকার মারমুখী এজেন্টরা এইবারে জুজুবুড়ি হয়ে বসেছিল। বলতে গেলে এজেন্ট লাগেনি ...

মতাদর্শগত অবস্থান যাই থাক না কেন, বিজেপির বুথ লেভেল বা মণ্ডল কেন্দ্রিক সংগঠন এখনই গড়ে তোলা দরকার। লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

কীভাবে বুথ লেভেল সংগঠন গড়ে তুলবেনঃ লেখকঃ অলোককুমারকুমার কুণ্ডুর (প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক) একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন।          প্রথমতঃ এই মুহূর্তে বিজেপির যে নিজস্ব স্টাইলে সংগঠন ছিল তা খানিকটা আরএসএস  অনুপ্রাণিত বা ধাঁচের হয়তো বা। বিজেপির নেতা থেকে কর্মীদের বুঝতে হবে ২০২৬-এর ৪ মে'র আগে তাদের যে সংগঠন ছিল তা খানিকটা এই বঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে মানানসই ছিল না। এমনকি বুথে বসার মতো লোক-লস্কর ছিল না। সন্ত্রাসের ফলে মাত্র ২০% স্থানে তারা প্রচার করতে পেরেছিলেন। কিন্তু জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল ভূমিকার ফলে বিজেপি সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। কিন্তু যে-কোনো পরিস্থিতিতে এই ক্ষমতা হস্তান্তর বিজেপির  বিপক্ষে চলে যেতে পারতো, সামান্য এদিক ওদিক হলে।          গত ২০২০ থেকেই বিজেপিতে নানা দলের কর্মী এবং নেতারা এসেছেন। তাতে একটা মিশ্র প্রকৃতির সংগঠন তৈরি হলেও সেখানে প্রথম থেকেই নিচুস্তরে একটা সংঘাত ছিল নতুন ও পুরাতন কর্মী ও নেতাদের মধ্যে। কারণ আজ যারা পুরনো বিজেপি হিসেবে ...

মমতা ব্যানার্জীর ফেসবুক লাইভে আর কিছু হওয়ার নেইঃ অলোককুমার কুণ্ডু

মমতা ব্যানার্জীর যথেষ্ট বয়স হয়েছে তার ওপর তিনি এখন সম্পূর্ণভাবে পরাজিত, কিন্তু নিজের দলের জয়ের ব্যাপারে এখনও তাঁর অগাধ বিশ্বাস যে, তিনি হারতে পারেন না। অথচ আমার যারা লেখা পড়েন তাঁরা জানেন যে, নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে যখন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যেদিন মঞ্চ থেকে বললেন তৃণমূল ২০০-এর বেশি আসন দখল করবে। সঙ্গে সঙ্গে আমি চ্যালেঞ্জ করে ফেসবুকে লিখলাম, তৃণমূল ৮০ টার বেশি পাবে না। এই ৮০ টা হিসেব করেছিলাম ৮৫টি মুসলমান সিটের দিকে তাকিয়ে। তার মধ্যে অবশ্য কুণাল ঘোষ ও মদন মিত্র ফস্কে বেরিয়ে গেলেন। আমার ধারণার বাইরে হলেও এইসব এরিয়ায় বেশ কিছু মুসলমান ভোট যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নিম্ন আয়ের এবং শ্রমজীবী মানুষের বসবাস। ফলে সমস্ত এলাকার মতোই, এইসব এলাকার ভোটারদের দুভাবে প্রভাবিত করার ব্যাপক একটা চেষ্টা করা হয়েছিল, তৃণমূলের পক্ষে। ব্রেইনওয়াশ ও হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষকে সহজে বোকা বানানো যায় এবং মানুষকে, মমতা ব্যানার্জীর বোকা বানানোর দীর্ঘ কৌশল জানা রয়েছে। তিনি এই কৌশলটি অবলম্বন করে একের পর এক "ভাতা" সৃষ্টি করে গেছেন। এই খুচরো খুচরো ভাতা দিয়ে...

১৫ বছরের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা। লেখকঃ অলোককুমার কুন্ডু

গত ১৫ বছর ধরে গ্রামেগঞ্জে তৃণমূলের যতরকম দুর্নীতি ও অত্যাচার হয়েছে, তার গোনাগুণতি করলে হাজার বিশেক ছাড়িয়ে যাবে। প্রথমে এই দল ও সরকার ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যত সিপিআইএম গ্রামেগঞ্জে ছিল তাদের শেষ করে দেয়। তার পর শুরু করে ২০১৬ থেকে অন্য রকম রাজত্ব যেন তারাই শ্রেষ্ঠ দল একটা। কিন্তু যেই বিজেপি ২০১৬ যে তিনটি সিট পেয়ে যায় তার পরেই শুরু হয় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ নামিয়ে আনা। মানুষকে ভয়ঙ্কর ভাবে  অত্যাচার করার জন্য এক বৃহত্তর পরিকল্পনা করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও দুর্নীতিবাজ অভিষেক। এদের কোনো ফেসবুক পোস্ট দয়া করে দেখবেন না, শেয়ার করা বন্ধ করুন। কী না অত্যাচার করেছে যে এরা ভাবতেও পারবেন না, গ্রামের পর গ্রামে। সারা পশ্চিমবঙ্গে কী যে একটা ভয়ভীতি ভীতসন্ত্রস্ত ছড়িয়ে দিয়েছিল এরা, তা যে বন্ধ হয়ে গেছে এটা যেন কিছুতেই বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। এদের গত ১৫ বছরের ভয়ঙ্কর ভয়াবহতা যে ভাবে রোজ রোজ উন্মোচিত হচ্ছে তা এতদিন কীভাবে আমাদের মজ্জায় অভ্যাসে পরিণত করে দিয়েছিল  এই তৃণমূল যা ভাবতেও পারা যাবে না। এটা একটা দল ছিল না জমদূত ছিল জানি না। ২০১৮ থেকে আট বছর ধরে চলছি...

অতি কষ্টে ভয় দূর করে একটা সুস্থ সাবলীল সরকার এসেছে। লেখাঃ অলোককুমার কুন্ডু

গত ১৫ বছর ধরে গ্রামেগঞ্জে তৃণমূলের যতরকম দুর্নীতি ও অত্যাচার হয়েছে, তার গোনাগুণতি করলে হাজার বিশেক ছাড়িয়ে যাবে। প্রথমে এই দল ও সরকার ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যত সিপিআইএম গ্রামেগঞ্জে ছিল তাদের শেষ করে দেয়। তার পর শুরু করে ২০১৬ থেকে অন্য রকম রাজত্ব যেন তারাই শ্রেষ্ঠ দল একটা। কিন্তু যেই বিজেপি ২০১৬ যে তিনটি সিট পেয়ে যায় তার পরেই শুরু হয় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ নামিয়ে আনা। মানুষকে ভয়ঙ্কর ভাবে  অত্যাচার করার জন্য এক বৃহত্তর পরিকল্পনা করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও দুর্নীতিবাজ অভিষেক। এদের কোনো ফেসবুক পোস্ট দয়া করে দেখবেন না, শেয়ার করা বন্ধ করুন। কী না অত্যাচার করেছে যে এরা ভাবতেও পারবেন না, গ্রামের পর গ্রামে। সারা পশ্চিমবঙ্গে কী যে একটা ভয়ভীতি ভীতসন্ত্রস্ত ছড়িয়ে দিয়েছিল এরা, তা যে বন্ধ হয়ে গেছে এটা যেন কিছুতেই বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। এদের গত ১৫ বছরের ভয়ঙ্কর ভয়াবহতা যে ভাবে রোজ রোজ উন্মোচিত হচ্ছে তা এতদিন কীভাবে আমাদের মজ্জায় অভ্যাসে পরিণত করে দিয়েছিল  এই তৃণমূল যা ভাবতেও পারা যাবে না। এটা একটা দল ছিল না জমদূত ছিল জানি না। ২০১৮ থেকে আট বছর ধরে চলছি...

অভিষেক ব্যানার্জী কর্পোরেট নেতা হতে গিয়ে তৃণমূল দলটাকে বিপদে ফেলে দিলেন।

এক নামকরা বক্তা বলছেন, গড়ের মাঠে নিয়ে গিয়ে অভিষেক ব্যানার্জীকে টাঙিয়ে এনকাউন্টার করে দিলেও জনগণ প্রতিবাদ করবে না, বরং সমর্থন জানাবেন। বিষয়টি এতটা নিষ্ঠুর করে আমরা কেউ কিন্তু ভাবতে চাই না। কিন্তু মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চে আজ এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থ্রেট কালচারের বিষয় নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। কিন্তু যার ৭ নভেম্বর ১৯৮৭ তে জন্ম বর্তমান বয়স যার ৩৮ বছর, তিনি নাকি কলকাতার বিড়লা ফাউন্ডেশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে হায়ার সেকেন্ডারি পাশও করেছিলেন। তৃণমূলের সরকারে আসার সময় ২০১১ সালে কিছু পড়াশোনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় করত কি না ঠিক কেউ জানেন না। যাইহোক দিল্লি থেকে এমবিএ করেছেন অভিষেক। তিনি এখন ডায়মন্ড হারবারের এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৭ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বামেরা সবচেয়ে বেশি জমি হারাতে শুরু করে। ২০০৯-এ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও ডায়মন্ড হারবারে সবচেয়ে বেশি সভা হয় তৃণমূলের। কলকাতায় রিজানুর রহমানকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানরা মমতা ব্যানার্জীকে তাঁদের নিজেদের লোক বলে মনে করতে শুরু করেন। ২০১১-তেও বিপুল জয় ওইদিকে। দিকে দিকে ২০১১-এর পর তৃণমূলের লোকেদের ...

এমন দুর্নীতি হয়েছে যা এখনও অলক্ষ্যে রয়েছে ---------------------------------------রন্ধ্রে রন্ধ্রে এমন

এমন দুর্নীতি হয়েছে যা এখনও অলক্ষ্যে রয়েছে  --------------------------------------- রন্ধ্রে রন্ধ্রে এমন দুর্নীতি করে দিয়ে গেছে এই সরকার আমি বিজেপির নেতৃত্বের কাছে অনুরোধ করবো, এই দুর্নীতি খুঁজে তার রিপেয়ার করে সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ সরকার দাঁড় করাতে একটা গোটা পাঁচ বছর চলে যাবে হয়তো। অথচ আমাদের মধ্যে একদল লোক ডিএ ডিএ করে এমন করছেন যে, বিজেপি সরকার বুঝি এসেছে তাদের ডিএ দিতে। কী ভয়ানক অবস্থা অনেকের জানা নেই। আর পাঁচটা বছর থাকলে পশ্চিমবঙ্গ নয়ছয় হয়ে যেতো। নয়ছয় এমন হয়েছে যে, সরকার ভেতর পরিষ্কার করবে না বাইরে আগে নতুন কাজ করবে ? আমার কাছে নেওয়া হয়েছে মাত্র ছ-মাস আগে, এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা আমার পৈতৃক বাড়ির মিউটেশনের জন্য। এই টাকা নাকি নবান্নেও পৌঁছে গেছে। কেবল টিভি ব্যবসাকেও ছাড়েনি তৃণমূল। প্রতিটি নবনির্মিত ফ্ল্যাট থেকে পেয়েছে টাকা। হাওড়ায় একজন প্রোমোটার বলছেন, ধাপে ধাপে ৩০ লক্ষ টাকা দিতে হয় এক একটা ফ্ল্যাট তুলতে, তাই তিনি এক্সট্রা তলা তুলেছেন। আমি দেখলাম মধ্য হাওড়ার কালীবাবু বাজারের কাছে একটা দেওয়ালে একটি বিজেপির নামে সদ্য ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে তাতে  নাম রয়েছে এক ...

শুধু চুরি আর চুরি

আজ আমার একটা দরকারে এক জায়গায় যেতে হলো, আমার দরকার। যেখানে গেছি তারা প্রো-তৃণমূল হলেও ধীরে ধীরে তৃণমূলের হার মেনে নিয়েছেন এতদিনে। সেখানে রাজনীতি করেন না এমন দু-চারজনও কিন্তু বসে আছেন। একজন বলছেন, তার স্ত্রী ও তার বয়স্কা মা এখন আর সিরিয়াল দেখেছেন না, কারণ যে চ্যানেল খুলেছেন সেখানেই চোর ধরো জেল ভরো হয়ে চলেছে অথবা মেয়েদের ওপর তৃণমূলের লোকজন কি কি থ্রেট দিয়ে রেখেছিল, যদি বিজেপি হেরে যেতো সেইসব আলোচনা চলছে। সেই ভদ্রলোক বললেন, এ যা চলেছে এক একটা ঘটনা জ্যান্ত সিরিয়াল সব। অভিষেকের ভীতি প্রদর্শনগুলো এতদিন লোকজন বুঝতে পারেননি। এখানে উল্লেখ্য যে, এইসব কাহিনী যার কিছু কিছু শোনা গেলেও তার বোধহয় শেষ নেই। যিনি প্রো-তৃণমূল, তিনি এত তাড়াতাড়ি এইসব মেনে নিতে না পারলেও কিছু করার নেই। আমি বললাম, যারা শুধুমাত্র ফোন দেখেন তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছা এখন চলে গেছে, সব সময়, চোর, চুরি নয়তো চোরেরা কোর্ট ঘর করছে। সম্পত্তি, জমি-জমা থেকে হরেক বিষয়ে এখন একটাই কথা এই দলটা আর দু তিন মাস পরে একেবারে শেষ হয়ে যাবে।

অভিষেক ব্যানার্জী ধপাস

এক নামকরা বক্তা বলছেন, গড়ের মাঠে নিয়ে গিয়ে অভিষেক ব্যানার্জীকে টাঙিয়ে এনকাউন্টার করে দিলেও জনগণ প্রতিবাদ করবে না, বরং সমর্থন জানাবেন। বিষয়টি এতটা নিষ্ঠুর করে আমরা কেউ কিন্তু ভাবতে চাই না। কিন্তু মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চে আজ এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থ্রেট কালচারের বিষয় নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। কিন্তু যার ৭ নভেম্বর ১৯৮৭ তে জন্ম বর্তমান বয়স যার ৩৮ বছর, তিনি নাকি কলকাতার বিড়লা ফাউন্ডেশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে হায়ার সেকেন্ডারি পাশও করেছিলেন। তৃণমূলের সরকারে আসার সময় ২০১১ সালে কিছু পড়াশোনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় করত কি না ঠিক কেউ জানেন না। যাইহোক দিল্লি থেকে এমবিএ করেছেন অভিষেক। তিনি এখন ডায়মন্ড হারবারের এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৭ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বামেরা সবচেয়ে বেশি জমি হারাতে শুরু করে। ২০০৯-এ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও ডায়মন্ড হারবারে সবচেয়ে বেশি সভা হয় তৃণমূলের। কলকাতায় রিজানুর রহমানকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানরা মমতা ব্যানার্জীকে তাঁদের নিজেদের লোক বলে মনে করতে শুরু করেন। ২০১১-তেও বিপুল জয় ওইদিকে। দিকে দিকে ২০১১-এর পর তৃণমূলের লোকেদের ...

ঋতব্রতর জেহাদ

এক নামকরা বক্তা বলছেন, গড়ের মাঠে নিয়ে গিয়ে অভিষেক ব্যানার্জীকে টাঙিয়ে এনকাউন্টার করে দিলেও জনগণ প্রতিবাদ করবে না, বরং সমর্থন জানাবেন। বিষয়টি এতটা নিষ্ঠুর করে আমরা কেউ কিন্তু ভাবতে চাই না। কিন্তু মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চে আজ এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থ্রেট কালচারের বিষয় নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। কিন্তু যার ৭ নভেম্বর ১৯৮৭ তে জন্ম বর্তমান বয়স যার ৩৮ বছর, তিনি নাকি কলকাতার বিড়লা ফাউন্ডেশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে হায়ার সেকেন্ডারি পাশও করেছিলেন। তৃণমূলের সরকারে আসার সময় ২০১১ সালে কিছু পড়াশোনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় করত কি না ঠিক কেউ জানেন না। যাইহোক দিল্লি থেকে এমবিএ করেছেন অভিষেক। তিনি এখন ডায়মন্ড হারবারের এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৭ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বামেরা সবচেয়ে বেশি জমি হারাতে শুরু করে। ২০০৯-এ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও ডায়মন্ড হারবারে সবচেয়ে বেশি সভা হয় তৃণমূলের। কলকাতায় রিজানুর রহমানকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানরা মমতা ব্যানার্জীকে তাঁদের নিজেদের লোক বলে মনে করতে শুরু করেন। ২০১১-তেও বিপুল জয় ওইদিকে। দিকে দিকে ২০১১-এর পর তৃণমূলের লোকেদের ...

শুভেন্দু অধিকারীকে কাজ করতে দিন

এক নামকরা বক্তা বলছেন, গড়ের মাঠে নিয়ে গিয়ে অভিষেক ব্যানার্জীকে টাঙিয়ে এনকাউন্টার করে দিলেও জনগণ প্রতিবাদ করবে না, বরং সমর্থন জানাবেন। বিষয়টি এতটা নিষ্ঠুর করে আমরা কেউ কিন্তু ভাবতে চাই না। কিন্তু মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চে আজ এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থ্রেট কালচারের বিষয় নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। কিন্তু যার ৭ নভেম্বর ১৯৮৭ তে জন্ম বর্তমান বয়স যার ৩৮ বছর, তিনি নাকি কলকাতার বিড়লা ফাউন্ডেশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে হায়ার সেকেন্ডারি পাশও করেছিলেন। তৃণমূলের সরকারে আসার সময় ২০১১ সালে কিছু পড়াশোনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় করত কি না ঠিক কেউ জানেন না। যাইহোক দিল্লি থেকে এমবিএ করেছেন অভিষেক। তিনি এখন ডায়মন্ড হারবারের এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৭ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বামেরা সবচেয়ে বেশি জমি হারাতে শুরু করে। ২০০৯-এ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও ডায়মন্ড হারবারে সবচেয়ে বেশি সভা হয় তৃণমূলের। কলকাতায় রিজানুর রহমানকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানরা মমতা ব্যানার্জীকে তাঁদের নিজেদের লোক বলে মনে করতে শুরু করেন। ২০১১-তেও বিপুল জয় ওইদিকে। দিকে দিকে ২০১১-এর পর তৃণমূলের লোকেদের ...