অনেকেই জানেন না যে, ক্যামেরা যারা বসিয়েছিল তাদের পেছন থেকে কেউ কেউ ক্যামেরাকে দেওয়ালে ছোট ছোট স্ক্রু দিয়ে আটকাতে বলেছিল। যাতে সহজে খুলে যায় এবং মুখ ঘুরে যায় ( বিডিও অফিসের যিনি টেন্ডার দিয়েছিলেন তিনি কলকাঠি নেড়ে থাকেন) যার ফলে ২০২১/ ২০২৪-এ ভোট শুরুর সময় কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঝুলে পড়ে ছিল কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঘুরে গিয়েছিল কিন্তু এইবারে যারা নির্বাচন কমিশনের হয়ে মণিটরে চোখ রাখছিলেন, তারা প্রিসাইডিং অফিসারকে ফোন করেন এবং তারপর সেক্টর অফিসারকে ধরে ক্যামেরা ঠিক করে বসানো হয়। এর আগে ক্যামেরার মুখে গামছা দেওয়া হতো তৃণমূলের ডায়মন্ডহারবার মডেলের ( আইপ্যাকের) উদ্যোগে সেইসব নির্বাচন কমিশন ধরে ফেলেছে। আসলে ২০২১-এই প্রক্রিয়া খতম হয়ে গিয়েছিল তা তৃণমূল আগেই বুঝে গিয়েছিল। কিন্তু বেশ কিছু হিন্দু বাঙালিদের এত তৃণমূল ভক্তি যে, তারা প্রতি কথায় প্রতি আলোচনা, খালি বলতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছে। আরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যদি দিয়েছে তো, গণনায় পর্যন্ত রিগিং করতে হয় কেন? ডায়মন্ডহারবার মডেলকে কাজে লাগাতে হয় কেন। বিজেপির কর্মীদের হাত-পা ভাঙা না হয় ছেড়েই দিলাম। ভয় দেখিয়ে গ্রামের পর গ্রাম হিন্দু ভোট নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস হচ্ছে ডায়মন্ডহারবার মডেল, হিন্দুদের ভয়ে ভয়ে থাকার নিদান দিয়ে, এলাকায় একজন সংখ্যালঘু মস্তানকে এলাকার রাজা বানিয়ে যাইহোক তাইহোক নির্বাচন করে তৃণমূলকে জেতাও ও অন্যদের হারাও এই খেলায় তৃণমূল গত ২০১১-এর পর থেকেই মেতেছিল। যেভাবে ২০২৬-এ নির্বাচনের প্রচার হলো, বিরোধী দলকে যেভাবে নির্বিচারে বাধা দেওয়া হলো তা ভূ-ভারতে কেউ আগে দেখেনি। তৃণমূলের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার অধিকারটুকু এইবারেও কেড়ে নিতে চেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক প্ল্যানের কাছে তৃণমূলের আইপ্যাক পরাস্ত হলো। এখন চেষ্টা হচ্ছে যাইহোক তাইহোক করে গণনার বানচাল করিয়ে দেওয়া এবং আবার নির্বাচন করা এবং দ্বিতীয়বার ভোট হলে, কম ভোট পড়া। ইতিমধ্যে পরিযায়ীরা রাজ্য ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। গত ২০২১-এ যা করেছিল সেই প্ল্যান করতে এখন সচেষ্ট রয়েছে তৃণমূল। জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।
--------------------------------------
আমার ফেসবুক ওয়ালে এই লেখা আমি লিখেছিলাম গত ০১/৫/২০২৬-এ। লেখকঃ
অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)।
মন্তব্যসমূহ