সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে ২৮, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তৃণমূল গ্রামেগঞ্জে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে

           অভিষেক না হয় ধরে নেওয়া হলো একটা আনাড়ি, টাকার লোভ পরিত্যাগ করতে পারেনি, ছোট থেকে অঢেল হাতে টাকা পয়সা বাড়িতে আসতে দেখে অর্থের পেছনে ছুটেছিল। ভালোমন্দ পেয়ে, আরো খাই আরো খাই করেছে। কিন্তু যে মমতা ব্যানার্জী দিনের পর দিন বাম জমানার খুন জখমের বিরুদ্ধে রীতিমতো লড়েছিলেন একদা। লড়াকু নেত্রী হিসেবে উঠে এসে তিনি কীভাবে মানুষকে দিনের পর দিন নিপীড়ন করতে দেখেও সব ছেড়ে দিলেন গা ভাসালেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী। কোনও পুলিশ অফিসার, কোনও এমন কেউ একজন ছিলেন না, যিনি একটি বারও সতর্ক করলেন না তাঁকে। এত কাগজে লেখালিখি হলো, এত মিডিয়া কভারেজ হলো, কিছুই তিনি দেখলেন না। লকাপে পিটিয়ে মারা হলো, গ্রাম থেকে উৎখাত হয়ে গেল একের পর একটা পরিবার। হাইকোর্টে সুপ্রিম কোর্ট এত করে বললেন বিচারপতিরা। সব কিছু মুখ্যমন্ত্রী ভ্যানিশ করে দিলেন। এত রিগিং হলো। ভোট দিতে পারলো না শত শত লোক। খুনের পর খুন হয়ে গেল। বাড়ির পর বাড়ি জ্বললো। সব উনি দেখেও দেখলেন না। একটা ঘটনা নয়।             প্রতিটি জেলায় শত শত ঘটনাকে এইভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রী দেখেও দেখলেন না ...

[•] নির্বাচনে হিন্দু মুসলমান বিরোধের কারণেই এইবারে বিজেপির জয়ঃ লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

[•] নির্বাচনের প্রাক্কালে গত ১৯ মার্চ, ২০২৬-এ ফেসবুকে এই টেক্সট পোস্ট আমি করেছিলাম। ©® অলোককুমার কুণ্ডু  -------------------------------------        [•] আমাদের চিন্তা করে দেখা দরকার কারা এবং কবে থেকে হিন্দুদের মধ্যে মুসলমান বিরোধিতা এবং মুসলমানদের মধ্যে হিন্দু বিরোধিতা জাগিয়ে তুললো। আগে যেটা শুধুমাত্র ধর্ম কেন্দ্রিক ছিল, তাকে কে বা কারা হঠাৎ করে রাজনীতিকরণ করে দিল। হিন্দুরা কি মুসলমানদের জমিজমা, অন্ন বস্ত্রের বিরোধিতা করেছিল কখনও? এক কথায় করেনি। বললে বিশ্বাস করবেন না, বিজেপির মুখেও এত মুসলমান বিরোধিতা কখনও শোনা যেত না। এক গোধরাকে নিয়ে কিছু মানুষ, দিনের পর দিন এমন টেনে যেতে থাকলো যে, গোধরাকাণ্ড কবে হয়ে গেলেও তার হিসেব চলছে এখনও, কবে যে এর শেষ তা কেউ জানেন না। এর মূলে রয়েছে রাজনৈতিক দলের বদান্যতা। যার ফলে বিজেপিতে যেসব মুসলিম রয়েছে বা এসেছেন, তাদেরকেও মুসলমানরা গালাগালি শুরু করে দেয়। অথচ ভারতের ২০ টি রাজ্যে বিজেপি রয়েছে আর এখানকার, পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান ছেলেমেয়েরা দিব্যি সেখানে গিয়ে কাজ করে চলেছেন। এইবারে তাদের অনেকেই এখানে মুসলমান ভোটের একদলীয় ব্যবস্থা...