সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে ২৬, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ক্যামেরার কারসাজি ফুস্ঃ লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

অনেকেই জানেন না যে, ক্যামেরা যারা বসিয়েছিল তাদের পেছন থেকে কেউ কেউ ক্যামেরাকে দেওয়ালে ছোট ছোট স্ক্রু দিয়ে আটকাতে বলেছিল। যাতে সহজে খুলে যায় এবং মুখ ঘুরে যায় ( বিডিও অফিসের যিনি টেন্ডার দিয়েছিলেন তিনি কলকাঠি নেড়ে থাকেন) যার ফলে ২০২১/ ২০২৪-এ ভোট শুরুর সময় কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঝুলে পড়ে ছিল কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঘুরে গিয়েছিল কিন্তু এইবারে যারা নির্বাচন কমিশনের হয়ে মণিটরে চোখ রাখছিলেন, তারা প্রিসাইডিং অফিসারকে ফোন করেন এবং তারপর সেক্টর অফিসারকে ধরে ক্যামেরা ঠিক করে বসানো হয়। এর আগে ক্যামেরার মুখে গামছা দেওয়া হতো তৃণমূলের ডায়মন্ডহারবার মডেলের ( আইপ্যাকের) উদ্যোগে সেইসব নির্বাচন কমিশন ধরে ফেলেছে। আসলে ২০২১-এই প্রক্রিয়া খতম হয়ে গিয়েছিল তা তৃণমূল আগেই বুঝে গিয়েছিল। কিন্তু বেশ কিছু হিন্দু বাঙালিদের এত তৃণমূল ভক্তি যে, তারা প্রতি কথায় প্রতি আলোচনা, খালি বলতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছে। আরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যদি দিয়েছে তো, গণনায় পর্যন্ত রিগিং করতে হয় কেন? ডায়মন্ডহারবার মডেলকে কাজে লাগাতে হয় কেন। বিজেপির কর্মীদের হাত-পা ভাঙা না হয় ছেড়েই দিলাম। ভয় দেখিয়ে গ্রামের পর ...

[] নির্বাচন কমিশনের খেল ও মানুষের স্বস্তিলেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

     •ফেসবুকে আমি গত ০১/০৫/২০২৬-এ এই পোস্ট করেছিলাম। পুণরায় এখানে দেওয়া হলোঃ ১). লক্ষ লক্ষ মানুষ বলেছেন এইরকম শান্তিতে ভোট দিতে কখনও পারিনি, অভূতপূর্ব। ২). প্রতি জেলায় প্রায় লাখ খানেক মানুষ, যারা ভোট দিতে পারতেন না তারাও ভোট দিলেন  ৩). এমনও হয়েছে, অন্ততপক্ষে ২০/৩০ হাজার মানুষ ভোট দিতে এসে এইবারেও ফেরত গিয়েছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের আইন অনুযায়ী বাড়ি থেকে ডেকে এনে ভোট দিতে সাহায্য করেছে ৪). কোনো বোম পড়েনি কারণ বোম পড়লেই NIA তদন্ত হতো  ৫). বহুভাবে বহু বিএলও-রাও বোগাস দিতে সাহায্য করে ছিল এবারেও কিন্তু কমিশনের কড়াকড়িতে তা তাদের অনুকূলে শেষ রক্ষা হয়নি  ৬). কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অন্ততপক্ষে  হাজার দশেক লোকের পিঠে হাতে পায়ে লাঠির চিহ্ন আঁকতে পেরেছেন। সাধারণ জনগণ এতে এত আনন্দ পেয়েছে যে বলার নেই ৭). আগে থেকে তৃণমূল কিছু প্রিসাইডিংকে তাদের পক্ষে ভোট টানার কলাকৌশলের গোপন ট্রেনিং দিয়েও, শেষ পর্যন্ত তারা কিছু করতে পারেনি ৮). সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বুথের মধ্যেকার মারমুখী এজেন্টরা এইবারে জুজুবুড়ি হয়ে বসেছিল। বলতে গেলে এজেন্ট লাগেনি ...