সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অতি কষ্টে ভয় দূর করে একটা সুস্থ সাবলীল সরকার এসেছে। লেখাঃ অলোককুমার কুন্ডু

গত ১৫ বছর ধরে গ্রামেগঞ্জে তৃণমূলের যতরকম দুর্নীতি ও অত্যাচার হয়েছে, তার গোনাগুণতি করলে হাজার বিশেক ছাড়িয়ে যাবে। প্রথমে এই দল ও সরকার ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যত সিপিআইএম গ্রামেগঞ্জে ছিল তাদের শেষ করে দেয়। তার পর শুরু করে ২০১৬ থেকে অন্য রকম রাজত্ব যেন তারাই শ্রেষ্ঠ দল একটা। কিন্তু যেই বিজেপি ২০১৬ যে তিনটি সিট পেয়ে যায় তার পরেই শুরু হয় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ নামিয়ে আনা। মানুষকে ভয়ঙ্কর ভাবে 
অত্যাচার করার জন্য এক বৃহত্তর পরিকল্পনা করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও দুর্নীতিবাজ অভিষেক। এদের কোনো ফেসবুক পোস্ট দয়া করে দেখবেন না, শেয়ার করা বন্ধ করুন। কী না অত্যাচার করেছে যে এরা ভাবতেও পারবেন না, গ্রামের পর গ্রামে। সারা পশ্চিমবঙ্গে কী যে একটা ভয়ভীতি ভীতসন্ত্রস্ত ছড়িয়ে দিয়েছিল এরা, তা যে বন্ধ হয়ে গেছে এটা যেন কিছুতেই বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। এদের গত ১৫ বছরের ভয়ঙ্কর ভয়াবহতা যে ভাবে রোজ রোজ উন্মোচিত হচ্ছে তা এতদিন কীভাবে আমাদের মজ্জায় অভ্যাসে পরিণত করে দিয়েছিল 
এই তৃণমূল যা ভাবতেও পারা যাবে না। এটা একটা দল ছিল না জমদূত ছিল জানি না। ২০১৮ থেকে আট বছর ধরে চলছিল এদের ভয়াবহতার বাতাবরণ। কেউ জিজ্ঞেস করতে পারতো না, কারণ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, শ্রীজাতের মতো মানুষরা এই যমদূত সরকারকে মদত দিয়ে দিয়ে গেছেন। সমস্ত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ভয়ে কাঁপতো। নাটক থেকে সবকিছুকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছিল। মান্থলি পেমেন্ট দেওয়া হতো কি না বুদ্ধিজীবীদের তা জানা না গেলেও কিন্তু বুদ্ধিজীবীরা সব এদের পদলেহন করেছেন। তারা মঞ্চে এসে তোল্লাই দিত মমতা ব্যানার্জীকে। এবিপি আনন্দ, নিউজ১৮ প্রমুখকে কিনে রেখে দিয়েছিল তৃণমূল। সমস্ত খবর কাগজকে কিনে ফেলেছিল বিজ্ঞাপন দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের হাল শেষ করে দিয়ে ঋণগ্রস্ত করে শেষ করে দিয়েছিল এই ভয়ঙ্কর সরকার ও দল। এক ভয়াবহ পরিকল্পনা থেকে বাঁচালেন শুভেন্দু অধিকারীর মতো একজন লড়াকু নেতা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যাঃ অলোককুমার কুণ্ডু

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যা/ অলোক কুমার কুণ্ডু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মের জটিলতা নেই। কিন্তু চায়ের দোকানে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া লোকজন এটাকে জটিল করছে। আজ একজন একটা ব্যাঙ্কের মধ্যে বলছিল একজনকে পাবেন না। আমি তাঁকে বললাম শুধু আপনার নামে রেশন কার্ড ও আধার কার্ড ও মোবাইল নম্বর আধারে যুক্ত থাকতে হবে। এইটুকু থাকলেই হবে। যা আছে সব সত্যি দেবেন। যা নেই দেওয়ার জায়গায় না লিখবেন। সবাই পারবে। যদি আপনি নিজে চাকরি/ পেনশন/ ফ্যামিলি পেনশন পেয়ে থাকেন পাবেন না। আয়কর ফাইল জমা করলেই আয়করের আওতায় পড়বেন না বহুজন তাই চিন্তা নেই যা সত্যি জানাবেন। আপনি পাবেন। আপনি যদি টেম্পোরারি বা কন্ট্রোকচ্যুয়াল বেসিসে কাজ করেন তাতেও পাবেন। সবার আগে চাই আপনার নামে রেশন কার্ড। বাড়ির কারো সঙ্গে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলে সেই অ্যাকাউন্ট এখানে দেবেন না। যদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন সেই অ্যাকাউন্ট গ্রামীণ ব্যাংক বন্ধন ব্যাংকে ছিল। ওইসব ব্যাঙ্কে এখন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যাবে না। তাই "ন্যাশনাল ব্যাংক"-কে নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করে তার সঙ্গে আধার আগে যুক্ত করুন। আধার লিঙ্ক না থাকলে আপনার ব্যাংকে টাকা ঢুকবে না য...

তৃণমূল গ্রামেগঞ্জে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে

           অভিষেক না হয় ধরে নেওয়া হলো একটা আনাড়ি, টাকার লোভ পরিত্যাগ করতে পারেনি, ছোট থেকে অঢেল হাতে টাকা পয়সা বাড়িতে আসতে দেখে অর্থের পেছনে ছুটেছিল। ভালোমন্দ পেয়ে, আরো খাই আরো খাই করেছে। কিন্তু যে মমতা ব্যানার্জী দিনের পর দিন বাম জমানার খুন জখমের বিরুদ্ধে রীতিমতো লড়েছিলেন একদা। লড়াকু নেত্রী হিসেবে উঠে এসে তিনি কীভাবে মানুষকে দিনের পর দিন নিপীড়ন করতে দেখেও সব ছেড়ে দিলেন গা ভাসালেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী। কোনও পুলিশ অফিসার, কোনও এমন কেউ একজন ছিলেন না, যিনি একটি বারও সতর্ক করলেন না তাঁকে। এত কাগজে লেখালিখি হলো, এত মিডিয়া কভারেজ হলো, কিছুই তিনি দেখলেন না। লকাপে পিটিয়ে মারা হলো, গ্রাম থেকে উৎখাত হয়ে গেল একের পর একটা পরিবার। হাইকোর্টে সুপ্রিম কোর্ট এত করে বললেন বিচারপতিরা। সব কিছু মুখ্যমন্ত্রী ভ্যানিশ করে দিলেন। এত রিগিং হলো। ভোট দিতে পারলো না শত শত লোক। খুনের পর খুন হয়ে গেল। বাড়ির পর বাড়ি জ্বললো। সব উনি দেখেও দেখলেন না। একটা ঘটনা নয়।             প্রতিটি জেলায় শত শত ঘটনাকে এইভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রী দেখেও দেখলেন না ...

মমতা ব্যানার্জীর ফেসবুক লাইভে আর কিছু হওয়ার নেইঃ অলোককুমার কুণ্ডু

মমতা ব্যানার্জীর যথেষ্ট বয়স হয়েছে তার ওপর তিনি এখন সম্পূর্ণভাবে পরাজিত, কিন্তু নিজের দলের জয়ের ব্যাপারে এখনও তাঁর অগাধ বিশ্বাস যে, তিনি হারতে পারেন না। অথচ আমার যারা লেখা পড়েন তাঁরা জানেন যে, নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে যখন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যেদিন মঞ্চ থেকে বললেন তৃণমূল ২০০-এর বেশি আসন দখল করবে। সঙ্গে সঙ্গে আমি চ্যালেঞ্জ করে ফেসবুকে লিখলাম, তৃণমূল ৮০ টার বেশি পাবে না। এই ৮০ টা হিসেব করেছিলাম ৮৫টি মুসলমান সিটের দিকে তাকিয়ে। তার মধ্যে অবশ্য কুণাল ঘোষ ও মদন মিত্র ফস্কে বেরিয়ে গেলেন। আমার ধারণার বাইরে হলেও এইসব এরিয়ায় বেশ কিছু মুসলমান ভোট যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নিম্ন আয়ের এবং শ্রমজীবী মানুষের বসবাস। ফলে সমস্ত এলাকার মতোই, এইসব এলাকার ভোটারদের দুভাবে প্রভাবিত করার ব্যাপক একটা চেষ্টা করা হয়েছিল, তৃণমূলের পক্ষে। ব্রেইনওয়াশ ও হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষকে সহজে বোকা বানানো যায় এবং মানুষকে, মমতা ব্যানার্জীর বোকা বানানোর দীর্ঘ কৌশল জানা রয়েছে। তিনি এই কৌশলটি অবলম্বন করে একের পর এক "ভাতা" সৃষ্টি করে গেছেন। এই খুচরো খুচরো ভাতা দিয়ে...