গত ১৫ বছর ধরে গ্রামেগঞ্জে তৃণমূলের যতরকম দুর্নীতি ও অত্যাচার হয়েছে, তার গোনাগুণতি করলে হাজার বিশেক ছাড়িয়ে যাবে। প্রথমে এই দল ও সরকার ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যত সিপিআইএম গ্রামেগঞ্জে ছিল তাদের শেষ করে দেয়। তার পর শুরু করে ২০১৬ থেকে অন্য রকম রাজত্ব যেন তারাই শ্রেষ্ঠ দল একটা। কিন্তু যেই বিজেপি ২০১৬ যে তিনটি সিট পেয়ে যায় তার পরেই শুরু হয় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ নামিয়ে আনা। মানুষকে ভয়ঙ্কর ভাবে
অত্যাচার করার জন্য এক বৃহত্তর পরিকল্পনা করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও দুর্নীতিবাজ অভিষেক। এদের কোনো ফেসবুক পোস্ট দয়া করে দেখবেন না, শেয়ার করা বন্ধ করুন। কী না অত্যাচার করেছে যে এরা ভাবতেও পারবেন না, গ্রামের পর গ্রামে। সারা পশ্চিমবঙ্গে কী যে একটা ভয়ভীতি ভীতসন্ত্রস্ত ছড়িয়ে দিয়েছিল এরা, তা যে বন্ধ হয়ে গেছে এটা যেন কিছুতেই বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। এদের গত ১৫ বছরের ভয়ঙ্কর ভয়াবহতা যে ভাবে রোজ রোজ উন্মোচিত হচ্ছে তা এতদিন কীভাবে আমাদের মজ্জায় অভ্যাসে পরিণত করে দিয়েছিল
এই তৃণমূল যা ভাবতেও পারা যাবে না। এটা একটা দল ছিল না জমদূত ছিল জানি না। ২০১৮ থেকে আট বছর ধরে চলছিল এদের ভয়াবহতার বাতাবরণ। কেউ জিজ্ঞেস করতে পারতো না, কারণ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, শ্রীজাতের মতো মানুষরা এই যমদূত সরকারকে মদত দিয়ে দিয়ে গেছেন। সমস্ত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ভয়ে কাঁপতো। নাটক থেকে সবকিছুকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছিল। মান্থলি পেমেন্ট দেওয়া হতো কি না বুদ্ধিজীবীদের তা জানা না গেলেও কিন্তু বুদ্ধিজীবীরা সব এদের পদলেহন করেছেন। তারা মঞ্চে এসে তোল্লাই দিত মমতা ব্যানার্জীকে। এবিপি আনন্দ, নিউজ১৮ প্রমুখকে কিনে রেখে দিয়েছিল তৃণমূল। সমস্ত খবর কাগজকে কিনে ফেলেছিল বিজ্ঞাপন দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের হাল শেষ করে দিয়ে ঋণগ্রস্ত করে শেষ করে দিয়েছিল এই ভয়ঙ্কর সরকার ও দল। এক ভয়াবহ পরিকল্পনা থেকে বাঁচালেন শুভেন্দু অধিকারীর মতো একজন লড়াকু নেতা।
মন্তব্যসমূহ