•ফেসবুকে আমি গত ০১/০৫/২০২৬-এ এই পোস্ট করেছিলাম। পুণরায় এখানে দেওয়া হলোঃ
১). লক্ষ লক্ষ মানুষ বলেছেন এইরকম শান্তিতে ভোট দিতে কখনও পারিনি, অভূতপূর্ব।
২). প্রতি জেলায় প্রায় লাখ খানেক মানুষ, যারা ভোট দিতে পারতেন না তারাও ভোট দিলেন
৩). এমনও হয়েছে, অন্ততপক্ষে ২০/৩০ হাজার মানুষ ভোট দিতে এসে এইবারেও ফেরত গিয়েছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের আইন অনুযায়ী বাড়ি থেকে ডেকে এনে ভোট দিতে সাহায্য করেছে
৪). কোনো বোম পড়েনি কারণ বোম পড়লেই NIA তদন্ত হতো
৫). বহুভাবে বহু বিএলও-রাও বোগাস দিতে সাহায্য করে ছিল এবারেও কিন্তু কমিশনের কড়াকড়িতে তা তাদের অনুকূলে শেষ রক্ষা হয়নি
৬). কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অন্ততপক্ষে
হাজার দশেক লোকের পিঠে হাতে পায়ে লাঠির চিহ্ন আঁকতে পেরেছেন। সাধারণ জনগণ এতে এত আনন্দ পেয়েছে যে বলার নেই
৭). আগে থেকে তৃণমূল কিছু প্রিসাইডিংকে তাদের পক্ষে ভোট টানার কলাকৌশলের গোপন ট্রেনিং দিয়েও, শেষ পর্যন্ত তারা কিছু করতে পারেনি
৮). সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বুথের মধ্যেকার মারমুখী এজেন্টরা এইবারে জুজুবুড়ি হয়ে বসেছিল। বলতে গেলে এজেন্ট লাগেনি এইবারে।
৯). পোলিং অফিসাররা শান্তিতে ভোট করিয়েছেন, তাদের ওপর যে, মানসিক অত্যাচার বাম আমল থেকে হয়ে আসছিল, তার এইবারে অবসান হয়েছে।
১০). কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নির্বাচন কমিশন এত সুন্দর মনিটরিং করেছে যে তাদের দু-পক্ষের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরেছে এবং বহুগুণ শ্রদ্ধা বেড়ে গেছে।
১১). ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম এত সুন্দর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চেষ্টায় ভোট নির্বিঘ্নে হয়েছে
১২). প্রচুর পুলিশ ও সিভিল অফিসার সাসপেন্ড ও বরখাস্ত হয়েছেন একমাত্র তৃণমূলের দোষের ফলে
১৩). প্রায় ৫০% মানুষ বলতে পেরেছে পরিবর্তন দরকার
১৪). ফেসবুকের আধা তৃণমূলীরা পর্যন্ত আমার মতো লিখিয়েদের ধমক চমক দিয়েছে এত এদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ছিল
১৫). ভয়ে ১৫ বছর যারা কথা বলতে পারেনি তারাও মুখ খুলেছে।
• লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক) ©®
--------------------------------------
মন্তব্যসমূহ