সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2025 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রসঙ্গ বাবরি মসজিদ নয় প্রসঙ্গের উৎস বামপন্থী

হুমায়ূনের লাঠিতে বধ সমস্ত দল, সবচেয়ে মজার যে, ফেসবুক জুড়ে এখন সমস্ত দলের চোরা সদস্যরা কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না। এখন মিডিয়ার বিক্রি যত না বাবরি মসজিদ কেন্দ্রিক তার চেয়ে শতাধিক মাথার চিন্তা কোনদিকে হুমায়ূন যাবে। হূমায়ুন কবির নিজে বলছেন, এখানকার দুটো সিট জিতে তৃণমূলে আবার যাবো। তৃণমূল বলছে এইসব বিজেপির অবদান। বামেরা হাইকোর্টে মামলা করে হুমায়ূন কবিরের নেতৃত্বকে জোরদার করেছে। হুমায়ূন কবিরকে যে অ্যারেস্ট করা হবে বলে রটেছিল তাকে হাইকোর্টে তুলেছিল বামেদের অ্যাডভোকেটরা। তাই বিজেপি বলছে এর মধ্যে বামেরা রয়েছে। এদিকে বিজেপি বলছে এখানে তৃণমূলের সাপোর্ট আছে। জনগণের হয়েছে জ্বালা তারা কোন দিকে যাবে? ফেসবুকের চোরা সদস্যরা হচ্ছেন সবচেয়ে চালাক। তারা ভাবে বুঝি জনগণের কিছু বোঝার ক্ষমতা নেই। তবে হুমায়ূন কবিরের নেতৃত্বকে কেউ আর ফেলে দিতে পারবে না। এক ঝটকায় সমস্ত মুসলিম নেতাদের কাৎ করে দিয়েছে হুমায়ূন। বাবরি মসজিদ হয়তো কেউ বাধা দিয়ে উঠতে পারবেন না। এটা সকলেই বুঝে গেছে। এখন হুমায়ূনকে কারা পাবে সেই নিয়ে সকলে ভেতরে ভেতরে উদগ্রীব। এখন হুমায়ূন কেন বামেদের দিকে যাবে ? কারণ এই মুহূর্তে বামেদের ...

তৃণমূলের প্রতি হুমায়নের হুঙ্কার ও বাবরি মসজিদ

তবে যদি হুমায়ূন কবির নাটক না করেন, তবে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে তিনটি দলকে দেখা যাবে যেখানে মুসলমান সমাজের ভাগ হওয়ার  আশঙ্কা থাকছে। তবে এইরকম হবে বলে যারা ভাবছেন, তা নাও হতে পার। কারণ হুমায়ূনের উদ্যোগে লক্ষাধিক জমায়েত হলেও হুমায়ূন কবিরের ব্যাকগ্রাউন্ড খুব একটা শক্তপোক্ত নয়। এখনও পরিষ্কার নয় এই বিষয়টি যে, হুমায়ূন কবিরের এই উদ্যোগ সত্যি কি-না ? কারণ নির্বাচন এলেই হুমায়ূন কবিরের এক একটা উদ্যোগ দেখা যায়। তবে যদি আজকের ঘটনা মনেপ্রাণে সৎ হয় তবে প্রথম ক্ষতি হবে তৃণমূলের। কারণ এই উদ্যোগের সঙ্গে গরিব মানুষকে জড় করতে পেরেছেন হুমায়ূন। উনি একটা মারাত্মক রেসিওর দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছেন। যা সাম্প্রদায়িক হলেও মুসলমান সমাজের প্রচলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতি নজর ঘুরিয়েছেন। যেটা মুসলমান যুব সমাজের কাছে একটা বড় দাবি। কিন্তু এই যে হুমায়ূন কবির এই উদ্যোগ নিলেন, সেখানে স্পষ্ট করেছেন তিনি নিজেই যে, তার এই উদ্যোগের সঙ্গে শুধুমাত্র বাঙালি মুসলমানরা রয়েছেন। অর্থাৎ হায়দ্রাবাদ কেন্দ্রিক মুসলমান রাজনীতির সাহায্য তিনি চান না। তবে বহু মানুষ কিন্তু কি হিন্দু কি মুসলমান সমাজ থেকে এখনই এই বিষয়ে হয়তো ...

বোয়েলিয়া সর্বজনীনের ৫৫ বছর

নারীটের সিংহ পরিবারের দত্ত বাড়ির পুজো

 ভারতবর্ষ কোথায় ছিলি বল / অলোক কুন্ডু সারা গায়ে ময়লা যেন কয়লা ধুলো কাদায় খড়ি উঠছে গায়ে  সঙ্গী তার কুকুর বিড়ালছানা  এক ভিখিরি মানুষ করেছিল  নিভিয়ে আলো জীবন প্রদীপ  জন্ম দিয়েই চলে গেছে মা সাবান দেওয়া শেখায়নি কেউ লেখাপড়া কোনদিনই হয়নি দেখতে বুঝি ভূতের মতো ঠিক রাত বাড়লে ফেলা ভাতের সাথে হোটেল থেকে দেয় একটু ঝোল ভাগ করে নেয় পুষ্যিগুলো সাথে কুকুরগুলোর মাঝে শুয়ে রাতে  পাহারা দেয় সারাপাড়ায় জেগে  হঠাৎ সেদিনে সরকারি লোক  গুণতে এলো স্বচ্ছ ভারত থেকে জিজ্ঞেস করলো কী জাত তোর এখন থেকে স্বচ্ছ ভারত মানবি কেউ বললো হিন্দুর ছেলে জানি কেউ বললো না ও মুসলমান  সকাল থেকে রাত অবধি হৈচৈ তার মধ্যে ঘেউ ঘেউ ঘেউ মিঁউ সারাপাড়া কাঁপতে থাকে চিৎকারে  সারাদিনে খালিপেটে জেরবার ভিড় বাড়লো সকাল থেকে রাত পুলিশ এলো খবর দিল টিভি ভিড় থেকে এক ভিখিরি এলো বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে কাঁদলো অনেকক্ষণ  । মাথায় জটাজুট বললো ভারতবর্ষ কোথায় ছিলি বল ? © অলোক কুমার কুন্ডু
আসলে তুমি আমার হিরো••• লেখকঃ অলোক কুন্ডুর ফটোগ্রাফির জগৎ  ( লেখাটি কপিরাইট শ্রেণিভুক্ত)  * সাম্প্রতিক বাংলা ছায়াছবি প্রজাপতি-কে নিয়ে অলোক কুমার কুন্ডু-র দীর্ঘ প্রতিবেদন। লেখাটি মৌলিক এবং বাংলা সিনেমার জন্য এত বড় প্রতিবেদন এই প্রথম লেখা হল।  * বাংলা সাহিত্যে-গল্পে পিতাকে প্রোজেক্ট করার সিদ্ধান্ত এই প্রথম না হলেও- সাহিত্যে তো ছিলই। বিভূতিভূষণের হরিহরকে মনে পড়ে আপনাদের ? পিতৃ-কেন্দ্রিক চরিত্র দিয়েই তো পথের পাঁচালী শুরু করেছিলেন তিনি। যারা সিনেমা নামায় যখন, তাদের অনেক রকম ভয় ভীতি থাকে ফিল্ম তৈরির সময়। কোনওটা যদি দর্শক না নেয়, তাই যতক্ষণ না একটি শো হয় ততক্ষণ বোঝা মুস্কিল হয় ছবিটা দাঁড়াবে কিনা। উত্তমকুমারও তো বুঝতে পারেননি, ছোটি সি মূলাকাৎ কতটা ফ্লপ করবে।  * প্রথমেই বলে রাখি প্রজাপতি ছবিটি কোনও আর্ট ফিল্ম নয় কিংবা প্যারালাল ফর্মূলায় বানানো কোনও এক ব্যতিক্রমী চলচ্চিত্রও নয়। একেবারেই মূল ধারার প্রযোজনা এবং সমস্ত সারল্য দিয়ে ছবিটি বানানো। ভজকট, মারদাঙ্গা, সাসপেন্স, থ্রিলার এই ছবিতে অমিল। একেবারে নব্বই দশকের কাহিনীধর্মী ছবি লাঠি, শেতপাথরের থালার মতো অথবা সরল ফ্...