সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে ২৭, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিগত সরকারের মতো তৃণমূল দলটাও উঠে যাবে। লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু (প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

        নির্বাচনের বহু আগে থেকেই এমনকি ২০২০ থেকেই লিখেছিলাম, তৃণমূল দলটা আসলে একটা ছোটলোকের দল। মাপ করবেন, আমার শ্বশুর বাড়ির অনেকেই তৃণমূল করতো এখন হয়তো আর করবে না, কিন্তু করে তো ছিল, অর্থাৎ বলতে চেয়েছিলাম যারা প্রত্যক্ষভাবে পুরোপুরি দলটা করতো, সাপোর্টার নয় তারা কেউ ভদ্রলোক ছিল না। তাই বলে কি আমার শ্বশুর বাড়ির কাউকে বলতে পারবো, তারা সব ছোটলোক। এরকম বলার আমার উদ্দেশ্য নয়। যারা মিছিলে যায়, পোস্টার মারে, দেওয়াল লেখে এবং কোনও না কোনও সুবিধা নেয়, তারা ওই ছোটলোকের মধ্যে পড়ে। কি করবো তাতে একশো জনের মধ্যে ২/১০ জন ভালো তো থাকতেই পারেন। আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই ভালোর দলে। তৃণমূলের কেউ ভদ্রলোক থাকলে ছিলেন অবশ্যই। কিন্তু আমার বলার উদ্দেশ্য যারা ছিলেন, তাদের অধিকাংশই আজ মারধর খাচ্ছেন।        মারধরের বাইরেও যারা ছিলেন, বিজেপি জেতার পর আমার পোস্টে এসে নিজেদের তালেবর সমাজসেবী সেজে আমার পোস্টে একটু আধটু লিখে মনে করছিলেন বুঝি আমি তাদের ধরতে পারিনি। এইসব ফোড়ের দল মোটেও বুঝতে পারেনি তৃণমূল হেরে যেতে পারে। এরা কেউ কেউ আমাকে বাধা দিলেও চাঁচাছোলা ভাষায় দি...

ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

            ভালো তৃণমূল কোথায় পাবেন ? এই প্রশ্ন খুব আমার কাছে কঠিন ছিল না, আছে কিছু ভালো তৃণমূল। একেবারে সত্যি কথা যে তৃণমূলের লোকজন চোর ছাড়া আর কিছু ছিল না। যারা দু-নম্বরি আয় করতে চেয়েছিলেন তারা তৃণমূলে ভিড়ে ছিলেন। উপর থেকে নিচতলা পর্যন্ত দুর্নীতি আর দুর্নীতি। বিগত জমানায় আমাদের হাওড়ার ডিপিএসসিতে এবং সেকেণ্ডারি ডি.আই অফিসে একদল শিক্ষক এসে নাকি প্রতিদিন বসে থাকতেন " এদের নাম দেওয়া হয়েছিল দালাল।" এরা স্কুলে পড়াতেন না, এদের মধ্যে কয়েকজনকে দেখা গিয়েছিল বিএলও-ইউনিয়নের হয়ে কলকাতায়  জয়বাংলা বলতেন, ইলেকশন কমিশনের ফুটপাতে। এরা দেশে বিদেশে নিত্য বেড়াতে যেতেন, কিন্তু একদিও ছুটি নেননি। যারা তৃণমূলের শিক্ষক হিসেবে প্রশাসনের হেডে বসেছিলেন তারা বেমালুম দু-জায়গায় বে-আইনিভাবে বেতন নিয়েছেন। এইসব শিক্ষক দু হাতে পয়সা কামিয়েছেন। লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা উঠেছে, ডিআই অফিসগুলোতে। শিক্ষকরা যেসব পেনশন ফাইল জমা দিয়েছেন তার ফয়সালা হয়নি দীর্ঘদিন, সঙ্গে পয়সা না দেওয়ার ফলে। ছুটি অনুমোদনে পয়সা, পিএফ লোনে পয়সা, বদলি হলে তো মোটা টাকা। কয়েক বছর আগে গ্রামের ...