সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

তৃণমূল গ্রামেগঞ্জে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে

           অভিষেক না হয় ধরে নেওয়া হলো একটা আনাড়ি, টাকার লোভ পরিত্যাগ করতে পারেনি, ছোট থেকে অঢেল হাতে টাকা পয়সা বাড়িতে আসতে দেখে অর্থের পেছনে ছুটেছিল। ভালোমন্দ পেয়ে, আরো খাই আরো খাই করেছে। কিন্তু যে মমতা ব্যানার্জী দিনের পর দিন বাম জমানার খুন জখমের বিরুদ্ধে রীতিমতো লড়েছিলেন একদা। লড়াকু নেত্রী হিসেবে উঠে এসে তিনি কীভাবে মানুষকে দিনের পর দিন নিপীড়ন করতে দেখেও সব ছেড়ে দিলেন গা ভাসালেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী। কোনও পুলিশ অফিসার, কোনও এমন কেউ একজন ছিলেন না, যিনি একটি বারও সতর্ক করলেন না তাঁকে। এত কাগজে লেখালিখি হলো, এত মিডিয়া কভারেজ হলো, কিছুই তিনি দেখলেন না। লকাপে পিটিয়ে মারা হলো, গ্রাম থেকে উৎখাত হয়ে গেল একের পর একটা পরিবার। হাইকোর্টে সুপ্রিম কোর্ট এত করে বললেন বিচারপতিরা। সব কিছু মুখ্যমন্ত্রী ভ্যানিশ করে দিলেন। এত রিগিং হলো। ভোট দিতে পারলো না শত শত লোক। খুনের পর খুন হয়ে গেল। বাড়ির পর বাড়ি জ্বললো। সব উনি দেখেও দেখলেন না। একটা ঘটনা নয়।             প্রতিটি জেলায় শত শত ঘটনাকে এইভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রী দেখেও দেখলেন না ...

[•] নির্বাচনে হিন্দু মুসলমান বিরোধের কারণেই এইবারে বিজেপির জয়ঃ লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

[•] নির্বাচনের প্রাক্কালে গত ১৯ মার্চ, ২০২৬-এ ফেসবুকে এই টেক্সট পোস্ট আমি করেছিলাম। ©® অলোককুমার কুণ্ডু  -------------------------------------        [•] আমাদের চিন্তা করে দেখা দরকার কারা এবং কবে থেকে হিন্দুদের মধ্যে মুসলমান বিরোধিতা এবং মুসলমানদের মধ্যে হিন্দু বিরোধিতা জাগিয়ে তুললো। আগে যেটা শুধুমাত্র ধর্ম কেন্দ্রিক ছিল, তাকে কে বা কারা হঠাৎ করে রাজনীতিকরণ করে দিল। হিন্দুরা কি মুসলমানদের জমিজমা, অন্ন বস্ত্রের বিরোধিতা করেছিল কখনও? এক কথায় করেনি। বললে বিশ্বাস করবেন না, বিজেপির মুখেও এত মুসলমান বিরোধিতা কখনও শোনা যেত না। এক গোধরাকে নিয়ে কিছু মানুষ, দিনের পর দিন এমন টেনে যেতে থাকলো যে, গোধরাকাণ্ড কবে হয়ে গেলেও তার হিসেব চলছে এখনও, কবে যে এর শেষ তা কেউ জানেন না। এর মূলে রয়েছে রাজনৈতিক দলের বদান্যতা। যার ফলে বিজেপিতে যেসব মুসলিম রয়েছে বা এসেছেন, তাদেরকেও মুসলমানরা গালাগালি শুরু করে দেয়। অথচ ভারতের ২০ টি রাজ্যে বিজেপি রয়েছে আর এখানকার, পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান ছেলেমেয়েরা দিব্যি সেখানে গিয়ে কাজ করে চলেছেন। এইবারে তাদের অনেকেই এখানে মুসলমান ভোটের একদলীয় ব্যবস্থা...

বিগত সরকারের মতো তৃণমূল দলটাও উঠে যাবে। লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু (প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

        নির্বাচনের বহু আগে থেকেই এমনকি ২০২০ থেকেই লিখেছিলাম, তৃণমূল দলটা আসলে একটা ছোটলোকের দল। মাপ করবেন, আমার শ্বশুর বাড়ির অনেকেই তৃণমূল করতো এখন হয়তো আর করবে না, কিন্তু করে তো ছিল, অর্থাৎ বলতে চেয়েছিলাম যারা প্রত্যক্ষভাবে পুরোপুরি দলটা করতো, সাপোর্টার নয় তারা কেউ ভদ্রলোক ছিল না। তাই বলে কি আমার শ্বশুর বাড়ির কাউকে বলতে পারবো, তারা সব ছোটলোক। এরকম বলার আমার উদ্দেশ্য নয়। যারা মিছিলে যায়, পোস্টার মারে, দেওয়াল লেখে এবং কোনও না কোনও সুবিধা নেয়, তারা ওই ছোটলোকের মধ্যে পড়ে। কি করবো তাতে একশো জনের মধ্যে ২/১০ জন ভালো তো থাকতেই পারেন। আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই ভালোর দলে। তৃণমূলের কেউ ভদ্রলোক থাকলে ছিলেন অবশ্যই। কিন্তু আমার বলার উদ্দেশ্য যারা ছিলেন, তাদের অধিকাংশই আজ মারধর খাচ্ছেন।        মারধরের বাইরেও যারা ছিলেন, বিজেপি জেতার পর আমার পোস্টে এসে নিজেদের তালেবর সমাজসেবী সেজে আমার পোস্টে একটু আধটু লিখে মনে করছিলেন বুঝি আমি তাদের ধরতে পারিনি। এইসব ফোড়ের দল মোটেও বুঝতে পারেনি তৃণমূল হেরে যেতে পারে। এরা কেউ কেউ আমাকে বাধা দিলেও চাঁচাছোলা ভাষায় দি...

ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

            ভালো তৃণমূল কোথায় পাবেন ? এই প্রশ্ন খুব আমার কাছে কঠিন ছিল না, আছে কিছু ভালো তৃণমূল। একেবারে সত্যি কথা যে তৃণমূলের লোকজন চোর ছাড়া আর কিছু ছিল না। যারা দু-নম্বরি আয় করতে চেয়েছিলেন তারা তৃণমূলে ভিড়ে ছিলেন। উপর থেকে নিচতলা পর্যন্ত দুর্নীতি আর দুর্নীতি। বিগত জমানায় আমাদের হাওড়ার ডিপিএসসিতে এবং সেকেণ্ডারি ডি.আই অফিসে একদল শিক্ষক এসে নাকি প্রতিদিন বসে থাকতেন " এদের নাম দেওয়া হয়েছিল দালাল।" এরা স্কুলে পড়াতেন না, এদের মধ্যে কয়েকজনকে দেখা গিয়েছিল বিএলও-ইউনিয়নের হয়ে কলকাতায়  জয়বাংলা বলতেন, ইলেকশন কমিশনের ফুটপাতে। এরা দেশে বিদেশে নিত্য বেড়াতে যেতেন, কিন্তু একদিও ছুটি নেননি। যারা তৃণমূলের শিক্ষক হিসেবে প্রশাসনের হেডে বসেছিলেন তারা বেমালুম দু-জায়গায় বে-আইনিভাবে বেতন নিয়েছেন। এইসব শিক্ষক দু হাতে পয়সা কামিয়েছেন। লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা উঠেছে, ডিআই অফিসগুলোতে। শিক্ষকরা যেসব পেনশন ফাইল জমা দিয়েছেন তার ফয়সালা হয়নি দীর্ঘদিন, সঙ্গে পয়সা না দেওয়ার ফলে। ছুটি অনুমোদনে পয়সা, পিএফ লোনে পয়সা, বদলি হলে তো মোটা টাকা। কয়েক বছর আগে গ্রামের ...

ক্যামেরার কারসাজি ফুস্ঃ লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

অনেকেই জানেন না যে, ক্যামেরা যারা বসিয়েছিল তাদের পেছন থেকে কেউ কেউ ক্যামেরাকে দেওয়ালে ছোট ছোট স্ক্রু দিয়ে আটকাতে বলেছিল। যাতে সহজে খুলে যায় এবং মুখ ঘুরে যায় ( বিডিও অফিসের যিনি টেন্ডার দিয়েছিলেন তিনি কলকাঠি নেড়ে থাকেন) যার ফলে ২০২১/ ২০২৪-এ ভোট শুরুর সময় কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঝুলে পড়ে ছিল কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঘুরে গিয়েছিল কিন্তু এইবারে যারা নির্বাচন কমিশনের হয়ে মণিটরে চোখ রাখছিলেন, তারা প্রিসাইডিং অফিসারকে ফোন করেন এবং তারপর সেক্টর অফিসারকে ধরে ক্যামেরা ঠিক করে বসানো হয়। এর আগে ক্যামেরার মুখে গামছা দেওয়া হতো তৃণমূলের ডায়মন্ডহারবার মডেলের ( আইপ্যাকের) উদ্যোগে সেইসব নির্বাচন কমিশন ধরে ফেলেছে। আসলে ২০২১-এই প্রক্রিয়া খতম হয়ে গিয়েছিল তা তৃণমূল আগেই বুঝে গিয়েছিল। কিন্তু বেশ কিছু হিন্দু বাঙালিদের এত তৃণমূল ভক্তি যে, তারা প্রতি কথায় প্রতি আলোচনা, খালি বলতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছে। আরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যদি দিয়েছে তো, গণনায় পর্যন্ত রিগিং করতে হয় কেন? ডায়মন্ডহারবার মডেলকে কাজে লাগাতে হয় কেন। বিজেপির কর্মীদের হাত-পা ভাঙা না হয় ছেড়েই দিলাম। ভয় দেখিয়ে গ্রামের পর ...

[] নির্বাচন কমিশনের খেল ও মানুষের স্বস্তিলেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

     •ফেসবুকে আমি গত ০১/০৫/২০২৬-এ এই পোস্ট করেছিলাম। পুণরায় এখানে দেওয়া হলোঃ ১). লক্ষ লক্ষ মানুষ বলেছেন এইরকম শান্তিতে ভোট দিতে কখনও পারিনি, অভূতপূর্ব। ২). প্রতি জেলায় প্রায় লাখ খানেক মানুষ, যারা ভোট দিতে পারতেন না তারাও ভোট দিলেন  ৩). এমনও হয়েছে, অন্ততপক্ষে ২০/৩০ হাজার মানুষ ভোট দিতে এসে এইবারেও ফেরত গিয়েছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের আইন অনুযায়ী বাড়ি থেকে ডেকে এনে ভোট দিতে সাহায্য করেছে ৪). কোনো বোম পড়েনি কারণ বোম পড়লেই NIA তদন্ত হতো  ৫). বহুভাবে বহু বিএলও-রাও বোগাস দিতে সাহায্য করে ছিল এবারেও কিন্তু কমিশনের কড়াকড়িতে তা তাদের অনুকূলে শেষ রক্ষা হয়নি  ৬). কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অন্ততপক্ষে  হাজার দশেক লোকের পিঠে হাতে পায়ে লাঠির চিহ্ন আঁকতে পেরেছেন। সাধারণ জনগণ এতে এত আনন্দ পেয়েছে যে বলার নেই ৭). আগে থেকে তৃণমূল কিছু প্রিসাইডিংকে তাদের পক্ষে ভোট টানার কলাকৌশলের গোপন ট্রেনিং দিয়েও, শেষ পর্যন্ত তারা কিছু করতে পারেনি ৮). সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বুথের মধ্যেকার মারমুখী এজেন্টরা এইবারে জুজুবুড়ি হয়ে বসেছিল। বলতে গেলে এজেন্ট লাগেনি ...

মতাদর্শগত অবস্থান যাই থাক না কেন, বিজেপির বুথ লেভেল বা মণ্ডল কেন্দ্রিক সংগঠন এখনই গড়ে তোলা দরকার। লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

কীভাবে বুথ লেভেল সংগঠন গড়ে তুলবেনঃ লেখকঃ অলোককুমারকুমার কুণ্ডুর (প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক) একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন।          প্রথমতঃ এই মুহূর্তে বিজেপির যে নিজস্ব স্টাইলে সংগঠন ছিল তা খানিকটা আরএসএস  অনুপ্রাণিত বা ধাঁচের হয়তো বা। বিজেপির নেতা থেকে কর্মীদের বুঝতে হবে ২০২৬-এর ৪ মে'র আগে তাদের যে সংগঠন ছিল তা খানিকটা এই বঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে মানানসই ছিল না। এমনকি বুথে বসার মতো লোক-লস্কর ছিল না। সন্ত্রাসের ফলে মাত্র ২০% স্থানে তারা প্রচার করতে পেরেছিলেন। কিন্তু জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল ভূমিকার ফলে বিজেপি সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। কিন্তু যে-কোনো পরিস্থিতিতে এই ক্ষমতা হস্তান্তর বিজেপির  বিপক্ষে চলে যেতে পারতো, সামান্য এদিক ওদিক হলে।          গত ২০২০ থেকেই বিজেপিতে নানা দলের কর্মী এবং নেতারা এসেছেন। তাতে একটা মিশ্র প্রকৃতির সংগঠন তৈরি হলেও সেখানে প্রথম থেকেই নিচুস্তরে একটা সংঘাত ছিল নতুন ও পুরাতন কর্মী ও নেতাদের মধ্যে। কারণ আজ যারা পুরনো বিজেপি হিসেবে ...