সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ক্যামেরার কারসাজি ফুস্ঃ লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু ( প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক)

অনেকেই জানেন না যে, ক্যামেরা যারা বসিয়েছিল তাদের পেছন থেকে কেউ কেউ ক্যামেরাকে দেওয়ালে ছোট ছোট স্ক্রু দিয়ে আটকাতে বলেছিল। যাতে সহজে খুলে যায় এবং মুখ ঘুরে যায় ( বিডিও অফিসের যিনি টেন্ডার দিয়েছিলেন তিনি কলকাঠি নেড়ে থাকেন) যার ফলে ২০২১/ ২০২৪-এ ভোট শুরুর সময় কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঝুলে পড়ে ছিল কোথাও কোথাও ক্যামেরার মুখ ঘুরে গিয়েছিল কিন্তু এইবারে যারা নির্বাচন কমিশনের হয়ে মণিটরে চোখ রাখছিলেন, তারা প্রিসাইডিং অফিসারকে ফোন করেন এবং তারপর সেক্টর অফিসারকে ধরে ক্যামেরা ঠিক করে বসানো হয়। এর আগে ক্যামেরার মুখে গামছা দেওয়া হতো তৃণমূলের ডায়মন্ডহারবার মডেলের ( আইপ্যাকের) উদ্যোগে সেইসব নির্বাচন কমিশন ধরে ফেলেছে। আসলে ২০২১-এই প্রক্রিয়া খতম হয়ে গিয়েছিল তা তৃণমূল আগেই বুঝে গিয়েছিল। কিন্তু বেশ কিছু হিন্দু বাঙালিদের এত তৃণমূল ভক্তি যে, তারা প্রতি কথায় প্রতি আলোচনা, খালি বলতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছে। আরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যদি দিয়েছে তো, গণনায় পর্যন্ত রিগিং করতে হয় কেন? ডায়মন্ডহারবার মডেলকে কাজে লাগাতে হয় কেন। বিজেপির কর্মীদের হাত-পা ভাঙা না হয় ছেড়েই দিলাম। ভয় দেখিয়ে গ্রামের পর ...

[] নির্বাচন কমিশনের খেল ও মানুষের স্বস্তিলেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

     •ফেসবুকে আমি গত ০১/০৫/২০২৬-এ এই পোস্ট করেছিলাম। পুণরায় এখানে দেওয়া হলোঃ ১). লক্ষ লক্ষ মানুষ বলেছেন এইরকম শান্তিতে ভোট দিতে কখনও পারিনি, অভূতপূর্ব। ২). প্রতি জেলায় প্রায় লাখ খানেক মানুষ, যারা ভোট দিতে পারতেন না তারাও ভোট দিলেন  ৩). এমনও হয়েছে, অন্ততপক্ষে ২০/৩০ হাজার মানুষ ভোট দিতে এসে এইবারেও ফেরত গিয়েছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের আইন অনুযায়ী বাড়ি থেকে ডেকে এনে ভোট দিতে সাহায্য করেছে ৪). কোনো বোম পড়েনি কারণ বোম পড়লেই NIA তদন্ত হতো  ৫). বহুভাবে বহু বিএলও-রাও বোগাস দিতে সাহায্য করে ছিল এবারেও কিন্তু কমিশনের কড়াকড়িতে তা তাদের অনুকূলে শেষ রক্ষা হয়নি  ৬). কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অন্ততপক্ষে  হাজার দশেক লোকের পিঠে হাতে পায়ে লাঠির চিহ্ন আঁকতে পেরেছেন। সাধারণ জনগণ এতে এত আনন্দ পেয়েছে যে বলার নেই ৭). আগে থেকে তৃণমূল কিছু প্রিসাইডিংকে তাদের পক্ষে ভোট টানার কলাকৌশলের গোপন ট্রেনিং দিয়েও, শেষ পর্যন্ত তারা কিছু করতে পারেনি ৮). সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বুথের মধ্যেকার মারমুখী এজেন্টরা এইবারে জুজুবুড়ি হয়ে বসেছিল। বলতে গেলে এজেন্ট লাগেনি ...

মতাদর্শগত অবস্থান যাই থাক না কেন, বিজেপির বুথ লেভেল বা মণ্ডল কেন্দ্রিক সংগঠন এখনই গড়ে তোলা দরকার। লেখকঃ অলোককুমার কুণ্ডু

কীভাবে বুথ লেভেল সংগঠন গড়ে তুলবেনঃ লেখকঃ অলোককুমারকুমার কুণ্ডুর (প্রাক্তন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক) একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন।          প্রথমতঃ এই মুহূর্তে বিজেপির যে নিজস্ব স্টাইলে সংগঠন ছিল তা খানিকটা আরএসএস  অনুপ্রাণিত বা ধাঁচের হয়তো বা। বিজেপির নেতা থেকে কর্মীদের বুঝতে হবে ২০২৬-এর ৪ মে'র আগে তাদের যে সংগঠন ছিল তা খানিকটা এই বঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে মানানসই ছিল না। এমনকি বুথে বসার মতো লোক-লস্কর ছিল না। সন্ত্রাসের ফলে মাত্র ২০% স্থানে তারা প্রচার করতে পেরেছিলেন। কিন্তু জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল ভূমিকার ফলে বিজেপি সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। কিন্তু যে-কোনো পরিস্থিতিতে এই ক্ষমতা হস্তান্তর বিজেপির  বিপক্ষে চলে যেতে পারতো, সামান্য এদিক ওদিক হলে।          গত ২০২০ থেকেই বিজেপিতে নানা দলের কর্মী এবং নেতারা এসেছেন। তাতে একটা মিশ্র প্রকৃতির সংগঠন তৈরি হলেও সেখানে প্রথম থেকেই নিচুস্তরে একটা সংঘাত ছিল নতুন ও পুরাতন কর্মী ও নেতাদের মধ্যে। কারণ আজ যারা পুরনো বিজেপি হিসেবে ...

মমতা ব্যানার্জীর ফেসবুক লাইভে আর কিছু হওয়ার নেইঃ অলোককুমার কুণ্ডু

মমতা ব্যানার্জীর যথেষ্ট বয়স হয়েছে তার ওপর তিনি এখন সম্পূর্ণভাবে পরাজিত, কিন্তু নিজের দলের জয়ের ব্যাপারে এখনও তাঁর অগাধ বিশ্বাস যে, তিনি হারতে পারেন না। অথচ আমার যারা লেখা পড়েন তাঁরা জানেন যে, নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে যখন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যেদিন মঞ্চ থেকে বললেন তৃণমূল ২০০-এর বেশি আসন দখল করবে। সঙ্গে সঙ্গে আমি চ্যালেঞ্জ করে ফেসবুকে লিখলাম, তৃণমূল ৮০ টার বেশি পাবে না। এই ৮০ টা হিসেব করেছিলাম ৮৫টি মুসলমান সিটের দিকে তাকিয়ে। তার মধ্যে অবশ্য কুণাল ঘোষ ও মদন মিত্র ফস্কে বেরিয়ে গেলেন। আমার ধারণার বাইরে হলেও এইসব এরিয়ায় বেশ কিছু মুসলমান ভোট যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নিম্ন আয়ের এবং শ্রমজীবী মানুষের বসবাস। ফলে সমস্ত এলাকার মতোই, এইসব এলাকার ভোটারদের দুভাবে প্রভাবিত করার ব্যাপক একটা চেষ্টা করা হয়েছিল, তৃণমূলের পক্ষে। ব্রেইনওয়াশ ও হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষকে সহজে বোকা বানানো যায় এবং মানুষকে, মমতা ব্যানার্জীর বোকা বানানোর দীর্ঘ কৌশল জানা রয়েছে। তিনি এই কৌশলটি অবলম্বন করে একের পর এক "ভাতা" সৃষ্টি করে গেছেন। এই খুচরো খুচরো ভাতা দিয়ে...

১৫ বছরের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা। লেখকঃ অলোককুমার কুন্ডু

গত ১৫ বছর ধরে গ্রামেগঞ্জে তৃণমূলের যতরকম দুর্নীতি ও অত্যাচার হয়েছে, তার গোনাগুণতি করলে হাজার বিশেক ছাড়িয়ে যাবে। প্রথমে এই দল ও সরকার ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যত সিপিআইএম গ্রামেগঞ্জে ছিল তাদের শেষ করে দেয়। তার পর শুরু করে ২০১৬ থেকে অন্য রকম রাজত্ব যেন তারাই শ্রেষ্ঠ দল একটা। কিন্তু যেই বিজেপি ২০১৬ যে তিনটি সিট পেয়ে যায় তার পরেই শুরু হয় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ নামিয়ে আনা। মানুষকে ভয়ঙ্কর ভাবে  অত্যাচার করার জন্য এক বৃহত্তর পরিকল্পনা করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও দুর্নীতিবাজ অভিষেক। এদের কোনো ফেসবুক পোস্ট দয়া করে দেখবেন না, শেয়ার করা বন্ধ করুন। কী না অত্যাচার করেছে যে এরা ভাবতেও পারবেন না, গ্রামের পর গ্রামে। সারা পশ্চিমবঙ্গে কী যে একটা ভয়ভীতি ভীতসন্ত্রস্ত ছড়িয়ে দিয়েছিল এরা, তা যে বন্ধ হয়ে গেছে এটা যেন কিছুতেই বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। এদের গত ১৫ বছরের ভয়ঙ্কর ভয়াবহতা যে ভাবে রোজ রোজ উন্মোচিত হচ্ছে তা এতদিন কীভাবে আমাদের মজ্জায় অভ্যাসে পরিণত করে দিয়েছিল  এই তৃণমূল যা ভাবতেও পারা যাবে না। এটা একটা দল ছিল না জমদূত ছিল জানি না। ২০১৮ থেকে আট বছর ধরে চলছি...

অতি কষ্টে ভয় দূর করে একটা সুস্থ সাবলীল সরকার এসেছে। লেখাঃ অলোককুমার কুন্ডু

গত ১৫ বছর ধরে গ্রামেগঞ্জে তৃণমূলের যতরকম দুর্নীতি ও অত্যাচার হয়েছে, তার গোনাগুণতি করলে হাজার বিশেক ছাড়িয়ে যাবে। প্রথমে এই দল ও সরকার ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যত সিপিআইএম গ্রামেগঞ্জে ছিল তাদের শেষ করে দেয়। তার পর শুরু করে ২০১৬ থেকে অন্য রকম রাজত্ব যেন তারাই শ্রেষ্ঠ দল একটা। কিন্তু যেই বিজেপি ২০১৬ যে তিনটি সিট পেয়ে যায় তার পরেই শুরু হয় বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ নামিয়ে আনা। মানুষকে ভয়ঙ্কর ভাবে  অত্যাচার করার জন্য এক বৃহত্তর পরিকল্পনা করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও দুর্নীতিবাজ অভিষেক। এদের কোনো ফেসবুক পোস্ট দয়া করে দেখবেন না, শেয়ার করা বন্ধ করুন। কী না অত্যাচার করেছে যে এরা ভাবতেও পারবেন না, গ্রামের পর গ্রামে। সারা পশ্চিমবঙ্গে কী যে একটা ভয়ভীতি ভীতসন্ত্রস্ত ছড়িয়ে দিয়েছিল এরা, তা যে বন্ধ হয়ে গেছে এটা যেন কিছুতেই বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। এদের গত ১৫ বছরের ভয়ঙ্কর ভয়াবহতা যে ভাবে রোজ রোজ উন্মোচিত হচ্ছে তা এতদিন কীভাবে আমাদের মজ্জায় অভ্যাসে পরিণত করে দিয়েছিল  এই তৃণমূল যা ভাবতেও পারা যাবে না। এটা একটা দল ছিল না জমদূত ছিল জানি না। ২০১৮ থেকে আট বছর ধরে চলছি...

অভিষেক ব্যানার্জী কর্পোরেট নেতা হতে গিয়ে তৃণমূল দলটাকে বিপদে ফেলে দিলেন।

এক নামকরা বক্তা বলছেন, গড়ের মাঠে নিয়ে গিয়ে অভিষেক ব্যানার্জীকে টাঙিয়ে এনকাউন্টার করে দিলেও জনগণ প্রতিবাদ করবে না, বরং সমর্থন জানাবেন। বিষয়টি এতটা নিষ্ঠুর করে আমরা কেউ কিন্তু ভাবতে চাই না। কিন্তু মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চে আজ এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থ্রেট কালচারের বিষয় নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। কিন্তু যার ৭ নভেম্বর ১৯৮৭ তে জন্ম বর্তমান বয়স যার ৩৮ বছর, তিনি নাকি কলকাতার বিড়লা ফাউন্ডেশন হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে হায়ার সেকেন্ডারি পাশও করেছিলেন। তৃণমূলের সরকারে আসার সময় ২০১১ সালে কিছু পড়াশোনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় করত কি না ঠিক কেউ জানেন না। যাইহোক দিল্লি থেকে এমবিএ করেছেন অভিষেক। তিনি এখন ডায়মন্ড হারবারের এমপি। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৭ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বামেরা সবচেয়ে বেশি জমি হারাতে শুরু করে। ২০০৯-এ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও ডায়মন্ড হারবারে সবচেয়ে বেশি সভা হয় তৃণমূলের। কলকাতায় রিজানুর রহমানকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানরা মমতা ব্যানার্জীকে তাঁদের নিজেদের লোক বলে মনে করতে শুরু করেন। ২০১১-তেও বিপুল জয় ওইদিকে। দিকে দিকে ২০১১-এর পর তৃণমূলের লোকেদের ...