সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বোয়েলিয়া সর্বজনীনের ৫৫ বছর

নারীটের সিংহ পরিবারের দত্ত বাড়ির পুজো

 ভারতবর্ষ কোথায় ছিলি বল / অলোক কুন্ডু সারা গায়ে ময়লা যেন কয়লা ধুলো কাদায় খড়ি উঠছে গায়ে  সঙ্গী তার কুকুর বিড়ালছানা  এক ভিখিরি মানুষ করেছিল  নিভিয়ে আলো জীবন প্রদীপ  জন্ম দিয়েই চলে গেছে মা সাবান দেওয়া শেখায়নি কেউ লেখাপড়া কোনদিনই হয়নি দেখতে বুঝি ভূতের মতো ঠিক রাত বাড়লে ফেলা ভাতের সাথে হোটেল থেকে দেয় একটু ঝোল ভাগ করে নেয় পুষ্যিগুলো সাথে কুকুরগুলোর মাঝে শুয়ে রাতে  পাহারা দেয় সারাপাড়ায় জেগে  হঠাৎ সেদিনে সরকারি লোক  গুণতে এলো স্বচ্ছ ভারত থেকে জিজ্ঞেস করলো কী জাত তোর এখন থেকে স্বচ্ছ ভারত মানবি কেউ বললো হিন্দুর ছেলে জানি কেউ বললো না ও মুসলমান  সকাল থেকে রাত অবধি হৈচৈ তার মধ্যে ঘেউ ঘেউ ঘেউ মিঁউ সারাপাড়া কাঁপতে থাকে চিৎকারে  সারাদিনে খালিপেটে জেরবার ভিড় বাড়লো সকাল থেকে রাত পুলিশ এলো খবর দিল টিভি ভিড় থেকে এক ভিখিরি এলো বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে কাঁদলো অনেকক্ষণ  । মাথায় জটাজুট বললো ভারতবর্ষ কোথায় ছিলি বল ? © অলোক কুমার কুন্ডু
আসলে তুমি আমার হিরো••• লেখকঃ অলোক কুন্ডুর ফটোগ্রাফির জগৎ  ( লেখাটি কপিরাইট শ্রেণিভুক্ত)  * সাম্প্রতিক বাংলা ছায়াছবি প্রজাপতি-কে নিয়ে অলোক কুমার কুন্ডু-র দীর্ঘ প্রতিবেদন। লেখাটি মৌলিক এবং বাংলা সিনেমার জন্য এত বড় প্রতিবেদন এই প্রথম লেখা হল।  * বাংলা সাহিত্যে-গল্পে পিতাকে প্রোজেক্ট করার সিদ্ধান্ত এই প্রথম না হলেও- সাহিত্যে তো ছিলই। বিভূতিভূষণের হরিহরকে মনে পড়ে আপনাদের ? পিতৃ-কেন্দ্রিক চরিত্র দিয়েই তো পথের পাঁচালী শুরু করেছিলেন তিনি। যারা সিনেমা নামায় যখন, তাদের অনেক রকম ভয় ভীতি থাকে ফিল্ম তৈরির সময়। কোনওটা যদি দর্শক না নেয়, তাই যতক্ষণ না একটি শো হয় ততক্ষণ বোঝা মুস্কিল হয় ছবিটা দাঁড়াবে কিনা। উত্তমকুমারও তো বুঝতে পারেননি, ছোটি সি মূলাকাৎ কতটা ফ্লপ করবে।  * প্রথমেই বলে রাখি প্রজাপতি ছবিটি কোনও আর্ট ফিল্ম নয় কিংবা প্যারালাল ফর্মূলায় বানানো কোনও এক ব্যতিক্রমী চলচ্চিত্রও নয়। একেবারেই মূল ধারার প্রযোজনা এবং সমস্ত সারল্য দিয়ে ছবিটি বানানো। ভজকট, মারদাঙ্গা, সাসপেন্স, থ্রিলার এই ছবিতে অমিল। একেবারে নব্বই দশকের কাহিনীধর্মী ছবি লাঠি, শেতপাথরের থালার মতো অথবা সরল ফ্...

সত্যজিৎ রায় জন্মোৎসব উদযাপন কমিট (হাওড়া)-র উদ্যোগে আয়োজিত সত্যজিৎ রায় সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৪

সম্পাদকীয় প্রতিবেদন          গত ১৯৯৩ সাল থেকে আমাদের পথ চলা শুরু হয়েছিল ভোলাগিরি কলা মন্দিরে। সকালে ভোলাগিরি কলামন্দিরের সামনের চত্বরে হয়েছিল প্রদশর্নী। প্রথম দিকে বেশ কয়েক বছর এই অনুষ্ঠান হত হাওড়া টাউন হলে, তারপর হাওড়া শরৎ সদনে। হাওড়ায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সত্যজিৎ রায় মেধা সন্ধান প্রতিযোগিতা, বসে-আঁকো প্রতিযোগিতা, বাংলা ও ইংরেজি হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, সত্যজিৎ রায়ের পোট্রেট অঙ্কন প্রতিযোগিতা ও প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা করে আসছি। এক-এক বছর এইসব প্রতিযোগিতায় ২/৩ হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিযোগিতার সেন্টার হয়েছে- ঝিখিরা, আমতা, উলুবেড়িয়া, শিবপুর, সালকিয়া, বালি ও মধ্য হাওড়াতে। আজ পর্যন্ত প্রায় বিশ হাজার ছাত্র-ছাত্রী এতে যোগ দিয়েছে এবং অন্ততপক্ষে ১৫০০ জনকে আজ পর্যন্ত পুরস্কৃত করা হয়েছে, এই নজির হাওড়াতে আর একটিও নেই।          কিন্তু বর্তমানে এসে আমরা প্রতিযোগিতা আর ব্যাপকভাবে করতে পারিনি। ছোট করে এক একটি স্কুলকে বেছে নিয়ে সেই স্কুলেই প্রতিযোগিতা সীমাবদ্ধ রেখেছি। ৩২ বছরের মধ্যে তিন বছর আমরা সম্মান...

অম্বর হে গম্ভীর! -অলোক কুন্ডু

অম্বর হে গম্ভীর! -অলোক কুন্ডু ‘নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সমবৃত অম্বর হে গম্ভীর।' আকাশ বুঝি সত্যি খুব গম্ভীর ? ভ্যাপসা গরমে বুঝি আর পারা যায় না। যাদের কানাকড়ির অভাব নেই তাদের হাঁসফাস একটু কম। বলতেই হচ্ছ-‘আল্লা মেঘ দে পানি দে' তবু তো বৃষ্টি তেমন কই গো। যাদের ঘরে এ.সি আছে তাদের সোনায় সোহাগা। দু পয়সা থাকলে আরাম কেনা তো সামান্য ব্যাপার তাই না ? কিন্তু জল মানে যদি বৃষ্টিকেই প্রথম ভাবি তবে তা কেনা তো সহজ সাধ্য নয়। তবু নাকি বিজ্ঞানীরা সে চেষ্টাও করেছেন, কিন্তু সেও তো ক্ষণিকের অতিথি। আপনি নিশ্চিত জানেন জলের উপাদান আসলে কী ? ভুলে গেছেন তাতে কি, জলের উপাদান সেই একই তো রইলো। হাইড্রোজন আর অক্সিজেন দু-ভাগ হাইড্রোজেন আর একভাগ অক্সিজেন মিলে হয় জল, আর ফরাসী বিজ্ঞানী এন্টনিয়ে লাভয়সিয়ের প্রথম বোঝালেন এটা একটা যৌগিক পদার্থ। বিজ্ঞানের কথায় হাইড্রোজেন জলের অনুগুলিকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে। জলের অনুতে আবার ডয়টেরায়াম, ট্রিটিয়াম নামে বিভিন্ন উপাদান থাকে। এসব ভারী ভারী বৈজ্ঞানিক নামের তালিকা নাইবা জানলেন। আমিও কি ছাই জানতাম। এই লেখাটির জন্য শিখতে হলো, জানতে হলো। কিন্তু আমরা যত সহজে জলচক্রের...

কলকাতা ময়দানে ইসকনের রথের মেলা ও আমার কথা / অলোক কুমার কুন্ডু

কলকাতা ময়দানে রথের মেলা ও আমার কথা/ অলোক কুমার কুন্ডু  • ইতিপূর্বে ফেসবুকেই লিখেছিলাম, কলকাতায়, ইসকনের রথযাত্রা নিয়ে ও তার ইতিহাস নিয়ে।ময়দানে ( পার্কস্ট্রিটের ময়দান)-এ, ১৯৭৬ থেকে ইসকনের রথের মেলা চলে আসছে। ইতিপূর্বে ইসকনের রথযাত্রা পথের ভিডিও তুলেছি। ইসকনের রথের সঙ্গে সারা রাস্তায় দু-তিনবার গেছি। এমনকি আমার ভাতৃবধূ মিতা যখন থেকে ইসকনের লাইফ-মেম্বার হয়েছে, মনে হয় ওদের জীবনটাই অনেকটা পাল্টে গেছে, তখন থেকে ওদের ফাঁকেও বেশ কয়েকবার ইসকনের রথের মেলায় গেলাম। আমি এইসব ভালোবাসি বলে, মনে হয়, মিতা আমাকে একটু বেশি সঙ্গে নেয়। কিন্তু আমাদের পরিবারে অনেক মেম্বার, সবসময় আমি গেলে সকলে তো আর মেতে পারবে না। কিন্তু আমিও তো ইসকনে যেতে ভালোবাসি। ওদের পরিবেশ, ওদের ধর্মীয় আচরণ, বড় আকর্ষণীয়। তাই হোক, মা বলছিলাম, তার হলো, আমাদের পরিবারটা একটু সংখ্যায় বড়। আমরা প্রায় ন-পুরুষ একইভাবে ৩৫০ বছরের বাড়ির চৌহদ্দির মধ্যেই এখনও বাস করি। যদিও শখ করে দু-চারজন পাশাপাশি ফ্ল্যাট করেছে, সেটা অন্য কথা। আমাদের বড় পরিবার হলেও ধর্ম নিয়ে খুব বেশি মনে হয় পরবর্তীতে কেউ বড় একটা মাথা ঘামায় নি, ধর্মকে সামনে ...