হুমায়ূনের লাঠিতে বধ সমস্ত দল, সবচেয়ে মজার যে, ফেসবুক জুড়ে এখন সমস্ত দলের চোরা সদস্যরা কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না।
বাবরি মসজিদ গড়ার পরিকল্পনা উৎসাহ উদ্দীপনার জোয়ারে মুসলমান সমাজকে আটকানো যাবে না। কিন্তু তারা মুর্শিদাবাদ বাদে অন্যান্য জায়গায় মুসলিম ভোট হারাবেন এই বিশ্বাস কেউ করবে না। হুমায়ূনের উত্থানে কিন্তু সবচেয়ে ভোটের ক্ষতিগ্রস্ত হবে বামেরা। যতটুকু বামেদের কাছে উত্তর বঙ্গের মুসলিম ভোট ছিল সবটাই চলে যাবে হুমায়ূন কবিরের নতুন দলে।
নতুন দল গড়া হবে না বলে, যারা ভাবছেন তারা
মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন। এই সুযোগ কিন্তু কিছুতেই হুমায়ূন কেন কেউ ছাড়তো না। যে সমস্ত মানুষ এতদিন কোথাও সুযোগ পায়নি তারা হুমায়ূন কবিরের নতুন নেতৃত্বকে সাদরে গ্রহণ করবে। মলাটের ছবি দেখলেই বোঝা যায় উপন্যাসের বিক্রিবাটা। এখানে বাবরি মসজিদের উদ্বোধন শুধুমাত্র নয় বাবরি মসজিদের উদ্ধারের জন্য এই আয়োজন আসলে মুসলমান সমাজকে খানিকটা দোটানায় ফেললেও তার ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নতুন এই বাবরি মসজিদ খ্যাতি অর্জন করবে সন্দেহ নাই। বিশেষ করে সরকারি পয়সায়
জগন্নাথ মন্দির গড়ার পর থেকেই এই দাবি ঘন ঘন উঠছিল সেটাই করে দেখিয়েছেন হুমায়ূন।
তাই হুমায়ূন নতুন দল করবেন এবং লড়বেন এই সিদ্ধান্ত শতভাগ নিশ্চিত। আর মুসলমান সমাজ চান না, এই মসজিদের সঙ্গে রাজনীতি করেন সমস্ত রাজনৈতিক দল। রাজনৈতিক দল যে তাদের এতবছর উঠতে দেয়নি বিশেষ করে কংগ্রেস সেটা সেটা মুসলমানরা বুঝেই ১৯৭৭ এ বামেদের সঙ্গে গিয়েছিল। ধীরে ধীরে তাদের সঙ্গে গ্রামের পর গ্রামে বিরোধ লেগেছিল এবং তৃণমূলের উত্থানে এবং রক্ষায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে মুসলমান সমাজ। তাদের বিশ্বাস আর যাইহোক ভোটটা তৃণমূলের জন্য রাখো। তাই হুমায়ূন দল গড়লেও সারারাজ্যে তল পাবে না। কিন্তু উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে এই মুহূর্তে একজনই নেতা তিনি হুমায়ূন,
কারণ হুমায়ূনকে এখন সব দল চায়।
মন্তব্যসমূহ