সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রসঙ্গ বাবরি মসজিদ নয় প্রসঙ্গের উৎস বামপন্থী

হুমায়ূনের লাঠিতে বধ সমস্ত দল, সবচেয়ে মজার যে, ফেসবুক জুড়ে এখন সমস্ত দলের চোরা সদস্যরা কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না।

এখন মিডিয়ার বিক্রি যত না বাবরি মসজিদ কেন্দ্রিক তার চেয়ে শতাধিক মাথার চিন্তা কোনদিকে হুমায়ূন যাবে। হূমায়ুন কবির নিজে বলছেন, এখানকার দুটো সিট জিতে তৃণমূলে আবার যাবো। তৃণমূল বলছে এইসব বিজেপির অবদান। বামেরা হাইকোর্টে মামলা করে হুমায়ূন কবিরের নেতৃত্বকে জোরদার করেছে। হুমায়ূন কবিরকে যে অ্যারেস্ট করা হবে বলে রটেছিল তাকে হাইকোর্টে তুলেছিল বামেদের অ্যাডভোকেটরা। তাই বিজেপি বলছে এর মধ্যে বামেরা রয়েছে। এদিকে বিজেপি বলছে এখানে তৃণমূলের সাপোর্ট আছে। জনগণের হয়েছে জ্বালা তারা কোন দিকে যাবে? ফেসবুকের চোরা সদস্যরা হচ্ছেন সবচেয়ে চালাক। তারা ভাবে বুঝি জনগণের কিছু বোঝার ক্ষমতা নেই। তবে হুমায়ূন কবিরের নেতৃত্বকে কেউ আর ফেলে দিতে পারবে না। এক ঝটকায় সমস্ত মুসলিম নেতাদের কাৎ করে দিয়েছে হুমায়ূন। বাবরি মসজিদ হয়তো কেউ বাধা দিয়ে উঠতে পারবেন না। এটা সকলেই বুঝে গেছে। এখন হুমায়ূনকে কারা পাবে সেই নিয়ে সকলে ভেতরে ভেতরে উদগ্রীব। এখন হুমায়ূন কেন বামেদের দিকে যাবে ? কারণ এই মুহূর্তে বামেদের মুসলিম ভোট খানিকটা হুমায়ূন কবিরের দিকে ইতিমধ্যে চলে গেছে। বিজেপিকে মুসলমানরা ভোট দেবে বলে বিশ্বাস হয় না। অতএব হুমায়ূন নতুন দলের দিকে যাবে। বাবরি মসজিদ এখন কোনো ইস্যু নয়। ইস্যু হচ্ছে হুমায়ূন।
বাবরি মসজিদ গড়ার পরিকল্পনা উৎসাহ উদ্দীপনার জোয়ারে মুসলমান সমাজকে আটকানো যাবে না। কিন্তু তারা মুর্শিদাবাদ বাদে অন্যান্য জায়গায় মুসলিম ভোট হারাবেন এই বিশ্বাস কেউ করবে না। হুমায়ূনের উত্থানে কিন্তু সবচেয়ে ভোটের ক্ষতিগ্রস্ত হবে বামেরা। যতটুকু বামেদের কাছে উত্তর বঙ্গের মুসলিম ভোট ছিল সবটাই চলে যাবে হুমায়ূন কবিরের নতুন দলে।
নতুন দল গড়া হবে না বলে, যারা ভাবছেন তারা 
মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন। এই সুযোগ কিন্তু কিছুতেই হুমায়ূন কেন কেউ ছাড়তো না। যে সমস্ত মানুষ এতদিন কোথাও সুযোগ পায়নি তারা হুমায়ূন কবিরের নতুন নেতৃত্বকে সাদরে গ্রহণ করবে। মলাটের ছবি দেখলেই বোঝা যায় উপন্যাসের বিক্রিবাটা। এখানে বাবরি মসজিদের উদ্বোধন শুধুমাত্র নয় বাবরি মসজিদের উদ্ধারের জন্য এই আয়োজন আসলে মুসলমান সমাজকে খানিকটা দোটানায় ফেললেও তার ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নতুন এই বাবরি মসজিদ খ্যাতি অর্জন করবে সন্দেহ নাই। বিশেষ করে সরকারি পয়সায় 
জগন্নাথ মন্দির গড়ার পর থেকেই এই দাবি ঘন ঘন উঠছিল সেটাই করে দেখিয়েছেন হুমায়ূন।
তাই হুমায়ূন নতুন দল করবেন এবং লড়বেন এই সিদ্ধান্ত শতভাগ নিশ্চিত। আর মুসলমান সমাজ চান না, এই মসজিদের সঙ্গে রাজনীতি করেন সমস্ত রাজনৈতিক দল। রাজনৈতিক দল যে তাদের এতবছর উঠতে দেয়নি বিশেষ করে কংগ্রেস সেটা সেটা মুসলমানরা বুঝেই ১৯৭৭ এ বামেদের সঙ্গে গিয়েছিল। ধীরে ধীরে তাদের সঙ্গে গ্রামের পর গ্রামে বিরোধ লেগেছিল এবং তৃণমূলের উত্থানে এবং রক্ষায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে মুসলমান সমাজ। তাদের বিশ্বাস আর যাইহোক ভোটটা তৃণমূলের জন্য রাখো। তাই হুমায়ূন দল গড়লেও সারারাজ্যে তল পাবে না। কিন্তু উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে এই মুহূর্তে একজনই নেতা তিনি হুমায়ূন,
কারণ হুমায়ূনকে এখন সব দল চায়। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যাঃ অলোককুমার কুণ্ডু

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ব্যাখ্যা/ অলোক কুমার কুণ্ডু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মের জটিলতা নেই। কিন্তু চায়ের দোকানে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া লোকজন এটাকে জটিল করছে। আজ একজন একটা ব্যাঙ্কের মধ্যে বলছিল একজনকে পাবেন না। আমি তাঁকে বললাম শুধু আপনার নামে রেশন কার্ড ও আধার কার্ড ও মোবাইল নম্বর আধারে যুক্ত থাকতে হবে। এইটুকু থাকলেই হবে। যা আছে সব সত্যি দেবেন। যা নেই দেওয়ার জায়গায় না লিখবেন। সবাই পারবে। যদি আপনি নিজে চাকরি/ পেনশন/ ফ্যামিলি পেনশন পেয়ে থাকেন পাবেন না। আয়কর ফাইল জমা করলেই আয়করের আওতায় পড়বেন না বহুজন তাই চিন্তা নেই যা সত্যি জানাবেন। আপনি পাবেন। আপনি যদি টেম্পোরারি বা কন্ট্রোকচ্যুয়াল বেসিসে কাজ করেন তাতেও পাবেন। সবার আগে চাই আপনার নামে রেশন কার্ড। বাড়ির কারো সঙ্গে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থাকলে সেই অ্যাকাউন্ট এখানে দেবেন না। যদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন সেই অ্যাকাউন্ট গ্রামীণ ব্যাংক বন্ধন ব্যাংকে ছিল। ওইসব ব্যাঙ্কে এখন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যাবে না। তাই "ন্যাশনাল ব্যাংক"-কে নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করে তার সঙ্গে আধার আগে যুক্ত করুন। আধার লিঙ্ক না থাকলে আপনার ব্যাংকে টাকা ঢুকবে না য...

তৃণমূল গ্রামেগঞ্জে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে

           অভিষেক না হয় ধরে নেওয়া হলো একটা আনাড়ি, টাকার লোভ পরিত্যাগ করতে পারেনি, ছোট থেকে অঢেল হাতে টাকা পয়সা বাড়িতে আসতে দেখে অর্থের পেছনে ছুটেছিল। ভালোমন্দ পেয়ে, আরো খাই আরো খাই করেছে। কিন্তু যে মমতা ব্যানার্জী দিনের পর দিন বাম জমানার খুন জখমের বিরুদ্ধে রীতিমতো লড়েছিলেন একদা। লড়াকু নেত্রী হিসেবে উঠে এসে তিনি কীভাবে মানুষকে দিনের পর দিন নিপীড়ন করতে দেখেও সব ছেড়ে দিলেন গা ভাসালেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী। কোনও পুলিশ অফিসার, কোনও এমন কেউ একজন ছিলেন না, যিনি একটি বারও সতর্ক করলেন না তাঁকে। এত কাগজে লেখালিখি হলো, এত মিডিয়া কভারেজ হলো, কিছুই তিনি দেখলেন না। লকাপে পিটিয়ে মারা হলো, গ্রাম থেকে উৎখাত হয়ে গেল একের পর একটা পরিবার। হাইকোর্টে সুপ্রিম কোর্ট এত করে বললেন বিচারপতিরা। সব কিছু মুখ্যমন্ত্রী ভ্যানিশ করে দিলেন। এত রিগিং হলো। ভোট দিতে পারলো না শত শত লোক। খুনের পর খুন হয়ে গেল। বাড়ির পর বাড়ি জ্বললো। সব উনি দেখেও দেখলেন না। একটা ঘটনা নয়।             প্রতিটি জেলায় শত শত ঘটনাকে এইভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রী দেখেও দেখলেন না ...

মমতা ব্যানার্জীর ফেসবুক লাইভে আর কিছু হওয়ার নেইঃ অলোককুমার কুণ্ডু

মমতা ব্যানার্জীর যথেষ্ট বয়স হয়েছে তার ওপর তিনি এখন সম্পূর্ণভাবে পরাজিত, কিন্তু নিজের দলের জয়ের ব্যাপারে এখনও তাঁর অগাধ বিশ্বাস যে, তিনি হারতে পারেন না। অথচ আমার যারা লেখা পড়েন তাঁরা জানেন যে, নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে যখন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যেদিন মঞ্চ থেকে বললেন তৃণমূল ২০০-এর বেশি আসন দখল করবে। সঙ্গে সঙ্গে আমি চ্যালেঞ্জ করে ফেসবুকে লিখলাম, তৃণমূল ৮০ টার বেশি পাবে না। এই ৮০ টা হিসেব করেছিলাম ৮৫টি মুসলমান সিটের দিকে তাকিয়ে। তার মধ্যে অবশ্য কুণাল ঘোষ ও মদন মিত্র ফস্কে বেরিয়ে গেলেন। আমার ধারণার বাইরে হলেও এইসব এরিয়ায় বেশ কিছু মুসলমান ভোট যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নিম্ন আয়ের এবং শ্রমজীবী মানুষের বসবাস। ফলে সমস্ত এলাকার মতোই, এইসব এলাকার ভোটারদের দুভাবে প্রভাবিত করার ব্যাপক একটা চেষ্টা করা হয়েছিল, তৃণমূলের পক্ষে। ব্রেইনওয়াশ ও হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষকে সহজে বোকা বানানো যায় এবং মানুষকে, মমতা ব্যানার্জীর বোকা বানানোর দীর্ঘ কৌশল জানা রয়েছে। তিনি এই কৌশলটি অবলম্বন করে একের পর এক "ভাতা" সৃষ্টি করে গেছেন। এই খুচরো খুচরো ভাতা দিয়ে...