সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

 ভারতবর্ষ কোথায় ছিলি বল / অলোক কুন্ডু


সারা গায়ে ময়লা যেন কয়লা

ধুলো কাদায় খড়ি উঠছে গায়ে 

সঙ্গী তার কুকুর বিড়ালছানা 

এক ভিখিরি মানুষ করেছিল 

নিভিয়ে আলো জীবন প্রদীপ 

জন্ম দিয়েই চলে গেছে মা

সাবান দেওয়া শেখায়নি কেউ

লেখাপড়া কোনদিনই হয়নি

দেখতে বুঝি ভূতের মতো ঠিক

রাত বাড়লে ফেলা ভাতের সাথে

হোটেল থেকে দেয় একটু ঝোল

ভাগ করে নেয় পুষ্যিগুলো সাথে

কুকুরগুলোর মাঝে শুয়ে রাতে 

পাহারা দেয় সারাপাড়ায় জেগে 

হঠাৎ সেদিনে সরকারি লোক 

গুণতে এলো স্বচ্ছ ভারত থেকে

জিজ্ঞেস করলো কী জাত তোর

এখন থেকে স্বচ্ছ ভারত মানবি

কেউ বললো হিন্দুর ছেলে জানি

কেউ বললো না ও মুসলমান 

সকাল থেকে রাত অবধি হৈচৈ

তার মধ্যে ঘেউ ঘেউ ঘেউ মিঁউ

সারাপাড়া কাঁপতে থাকে চিৎকারে 

সারাদিনে খালিপেটে জেরবার

ভিড় বাড়লো সকাল থেকে রাত

পুলিশ এলো খবর দিল টিভি

ভিড় থেকে এক ভিখিরি এলো

বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে কাঁদলো

অনেকক্ষণ  । মাথায় জটাজুট

বললো ভারতবর্ষ কোথায় ছিলি বল ?

© অলোক কুমার কুন্ডু

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তৃণমূলের প্রতি হুমায়নের হুঙ্কার ও বাবরি মসজিদ

তবে যদি হুমায়ূন কবির নাটক না করেন, তবে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে তিনটি দলকে দেখা যাবে যেখানে মুসলমান সমাজের ভাগ হওয়ার  আশঙ্কা থাকছে। তবে এইরকম হবে বলে যারা ভাবছেন, তা নাও হতে পার। কারণ হুমায়ূনের উদ্যোগে লক্ষাধিক জমায়েত হলেও হুমায়ূন কবিরের ব্যাকগ্রাউন্ড খুব একটা শক্তপোক্ত নয়। এখনও পরিষ্কার নয় এই বিষয়টি যে, হুমায়ূন কবিরের এই উদ্যোগ সত্যি কি-না ? কারণ নির্বাচন এলেই হুমায়ূন কবিরের এক একটা উদ্যোগ দেখা যায়। তবে যদি আজকের ঘটনা মনেপ্রাণে সৎ হয় তবে প্রথম ক্ষতি হবে তৃণমূলের। কারণ এই উদ্যোগের সঙ্গে গরিব মানুষকে জড় করতে পেরেছেন হুমায়ূন। উনি একটা মারাত্মক রেসিওর দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছেন। যা সাম্প্রদায়িক হলেও মুসলমান সমাজের প্রচলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতি নজর ঘুরিয়েছেন। যেটা মুসলমান যুব সমাজের কাছে একটা বড় দাবি। কিন্তু এই যে হুমায়ূন কবির এই উদ্যোগ নিলেন, সেখানে স্পষ্ট করেছেন তিনি নিজেই যে, তার এই উদ্যোগের সঙ্গে শুধুমাত্র বাঙালি মুসলমানরা রয়েছেন। অর্থাৎ হায়দ্রাবাদ কেন্দ্রিক মুসলমান রাজনীতির সাহায্য তিনি চান না। তবে বহু মানুষ কিন্তু কি হিন্দু কি মুসলমান সমাজ থেকে এখনই এই বিষয়ে হয়তো ...

বোয়েলিয়া সর্বজনীনের ৫৫ বছর

নারীটের সিংহ পরিবারের দত্ত বাড়ির পুজো