সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

■ Durga culture emerged in the left period but they did not acquire this culture. – Alok Kumar Kundu. ■ দুর্গা সংস্কৃতির উত্থান বাম আমলে হলেও তারা এই সংস্কৃতিকে হাতছাড়া করেছেন। -অলোককুমার কুন্ডু।

 



তেরোপার্বণ ডেলি নিউজ  • সম্পাদক- অলোককুমার কুন্ডু 
Teroparbon Daily News  Editor: Alok Kumar Kundu

■ দুর্গা সংস্কৃতির উত্থান বাম আমলে হলেও তারা এই সংস্কৃতিকে হাতছাড়া করেছেন। -অলোককুমার কুন্ডু।

• এখানে একটা অন্য কথা দিয়ে বাঙালির দুর্গা পুজো শুরু করবো। ১৯৮১ সালে বামেরা শিক্ষক ও বিপুল সংখ্যক সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়িয়ে দেয় বাম সরকারের আমলে। তার আগেই তারা ভূমিহীনদের ব্যাপকভাবে পাট্টা দিয়ে জাতে তুলেছেন। তিনবার চাষের জন্য সবরকম সাহায্য করেছেন। সবটাই হয়েছে জ্যোতি বসুর মতো কৌশলী ও দক্ষ প্রশাসকের দুরদর্শিতার ফলে। বামেদের অনেক বিরুদ্ধ কাজকে রেয়াত করেননি।

• এমনকি বামেদের আমলেই গ্রাম ও শহরে লোকের হাতে হঠাৎ করে পয়সা আসার ফলেই দুর্গা পুজোর প্যান্ডেলের রাতারাতি পরিবর্তন ঘটে যায়। লক্ষনীয় যে পরবর্তীতে যে ব্যাঙ্ক কো-অপারেটিভগুলো লালবাতি জ্বালে তারাই বাম আমলের গোড়ায় বিল্ডিং বাড়ায়, চাকরি দেয় পুঁজি বাড়াতে থাকে এবং লোন দিয়ে হলিডে হোম পরিচালনা করে তাক লাগিয়ে ছিল। যার ফলে বামেদের সময়ে যে শহরে গ্রামে প্রচুর টাকা পয়সা মানুষের হাতে এসেছিল সেখান থেকে বাঙালির দুর্গা পুজো একটা ফিডব্যাক পায়। কো-অপারেটিভ এবং গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি যেগুলো ছোট পরিসরে ছিল সেগুলোর উত্থান হয়। বাজারে প্রভূত পয়সা-কড়ি আসে। কৃষি সমবায় গুলি আর্থিক ভাবে দারুণ জায়গায় পৌঁছয়। গ্রাম পঞ্চায়েত হওয়ার ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যায় শহর গ্রাম জুড়ে। সেই প্রথম বেশ কিছু রাস্তা ঘাট নতুনও তৈরি হয়। সাইকেল থেকে বাইক হয় গ্রামে শহরে। প্রাইভেট গাড়ি হতে শুরু করে। পশ্চিমবঙ্গে প্রচুর শিল্প এবং ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি শুরু হলে সেখান থেকে দুর্গা পুজোগুলো ব্যাপকভাবে টাকা পয়সা পায়–চাঁদা আকারে, বিজ্ঞাপন আকারে। স্মরণিকার শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। কলকাতার দুর্গা পুজোর এক একটা বিজ্ঞাপনের দাম ছিল ১৯৮২ সালে ৫০ হাজার টাকা।

• প্রমোটিং শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে পাড়ার ছেলেরা কাজ পায় পুজো কমিটি দুদিক থেকে চাঁদা পেতে শুরু করে। আর্ট কলেজ ও শিল্পীরা সকলেই তখন বামপন্থী। তারাও কিছু বাড়তি ইনকামের আশা নিয়ে লেগে পড়ে বড় বড় শিল্পীদের সঙ্গে। অন্য প্রদেশ থেকে আসে শিল্পীর দল। অন্য প্রদেশের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে বাংলার দুর্গা পুজোর কথা এবং সেখান থেকে যে অন্যদের উপার্জন হতে পারে সে বিষয়ে তারাও আগ্রহী হয়। সার্বিক উন্নয়নের এই ধারাটিতে বাম সরকার ভেতরে ভেতরে প্রচুর উৎসাহ দিলেও প্রকাশ্যে কখনও আসেনি তারা। সেই সময় চারিদিকে অর্থ আর অর্থ। তার ওপর স্কুল ও কলেজ সার্ভিসে গাদা গাদা নিয়োগ। প্রচুর কাজ গ্রাম বাংলার চতুর্দিকে। সেই প্রথম শিল্পীরা যা পয়সা চাইলেন ক্লাবগুলো তাই দিতে রাজি হয়ে গেলেন, এই বিষয়টি বামপন্থীদের পরোক্ষভাবে, সেই সময় সবচেয়ে বড় অবদান ছিল। আর বামেদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সেই সময় দুর্গাপুজোর আধুনিক রূপ সারা পৃথিবীতে পৌঁছে যেতে শুরু করে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার দেশি বিদেশীদের জন্য পুজোয় বাসে করে ভ্রমণ চালু করে জ্যোতবাবুর উদ্যোগে। ট্রামে করে ভ্রমণের পরিকল্পনা হয়।

• ইউনেস্কোর সাইটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি পুরো পড়লাম। কারণ ফেসবুকজুড়ে একপ্রকার মিথ্যা হাওয়া ও অর্ধ সত্য বইছে। আসলে বাঙালি যে সরকারের সব সময় শ্রাদ্ধ করেন সেই নরেন্দ্র মোদী সরকারের, তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বের অধীনস্থ কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি দপ্তর দুইবার ধরে প্রচেষ্টা নিয়ে অবশেষে বাংলাকে এই পুরস্কার এনে দিলেন। এটাকে একরকম ধামা চাপা দেওয়ার একটা ঘৃণ্য প্রচেষ্টা চলছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি নরেন্দ্র মোদী এই বিষয়টি আগামী নির্বাচনে হয়তো বা ব্যবহার করবেন। তিনি না করলে অবাক হব। কারণ এখানে নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে সকলে দেশের কথা ভাবেন।

• এখন পশ্চিমবঙ্গের কারও ইউনেস্কোর সাইট জানা না থাকায় দুর্গা পুজো কে যে সারা পৃথিবীতে তুলে ধরে প্রচার করলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় এইসব জানা ছিল না এখানে। ইতিমধ্যে গুজরাটের গর্বা দুর্গার পরে জন্মালেও তা আগেই ইউনেস্কো অন্তর্ভুক্ত হয় যায়। একমাত্র রাজ্য গুজরাট যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এক সময় নমো। ভারতে সবচেয়ে বেশি হেরিটেজ সাইট খুঁজে পাওয়া যায় নরেন্দ্র মোদীর সময়ে। সবকটিই ইউনেস্কো। এই কারণে ৮ লেনের হেরিটেজ করিডোর আছে গুজরাটে। এখন কাজ না করে সমালোচনা করা আমাদের একটি অভিনব বিদ্যা। আর এই বিদ্যাতেই বামেদের বিদায় হয়েছিল।

• যাক এইবার ফিরে আসা যাক বঙ্গের দুর্গায়। দুর্গা নিয়ে প্রচুর কাজ হয়েছে এখানে। সবকটি রেকর্ড আমার কাছে আছে এবং দুর্গা নিয়ে সবচেয়ে বেশি রেকর্ড আছে আমার কাছে। দুর্গার অনুসন্ধানে কাজ করছি প্রায় বহকাল। বিভিন্ন জেলায় গেছি। তবে ইচ্ছা করে প্রকাশ করিনি। ইচ্ছা ছিল নিজেই একটা মিউজিয়াম করবো দুর্গাকে নিয়ে।

•একটা হাজার স্কোয়ার ফিটের যদি সরকার মিউজিয়াম করে তা সবটা দিতে চাই। আমি এইবার দুটো সরকারের কাছেই চিঠি লিখবো ভাবছি। সেইসব দিতে চাই যদি ভারত বা রাজ্য সরকার চান। কারণ এইসব ফুটপাত থেকে সংগ্রহ করা বেশিরভাগ। ২০ খানা রেয়ার বই হতে পারে। যাক, কবে হবে আমার জানা নেই।আমার একার দ্বারা সম্ভব নয়। বহুদিন থেকে সংগ্রহ করা।

• যখন প্রথমবার কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি দপ্তর ফেল করলো দুর্গা পুজোকে ইউনেস্কোতে নিয়ে যেতে ( প্রথমবারে) তখন তাঁরা দেখলেন তাদের হাতের মধ্যেই আছেন তপতী গুহঠাকুরতা। তাঁকে দ্বিতীয়বারে প্রজেক্টটি তাই দিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি দপ্তর। খরচ কেন্দ্রীয় সরকারের। এই প্রজেক্টের জন্য সামান্য কিছু জানতেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব ও কয়েকজন মন্ত্রী। প্রথমটা যিনি করেছিলেন তিনি শুধুমাত্র ট্যুরিজম ধরে কাজটা করেছিলেন তাই লক্ষ্যটা ছিল সার্বিক নয়।

• কীভাবে এই প্রজেক্ট করতে হয় সেটি খানিকটা জানা ছিল তপতী গুহঠাকুরতার। উনি আবার এই কাজে তাঁর দুই ছাত্র-ছাত্রীর সাহায্য নিলেন ( তারা অখ্যাত রয়ে গেলেন), যখন কাজটা এলো তাঁর কাছে তখন তপতী ম্যাডাম গল্পচ্ছলে তা কাছের কয়েকজনকে বললেন। তাতে তাঁর দুজন ছাত্র-ছাত্রী প্রজেক্ট-এ সংযুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করলেন। তারা তপতী গুহঠাকুরতাকে এনে দিলেন বেশ কিছু তথ্য। এখানে দরকার ছিল ধর্মের থেকে সভ্যতার পরিচয়, আধুনিক জগতে যে দুর্গার সমৃদ্ধি হয়েছে এবং মহিলা ও শিশুদের যোগদানের বিষয়টি একটি তাৎপর্য যে পেয়েছে। সমাজের যোগদানে এমনকি মুসলমানদের ভূমিকাও যে ব্রাত্য নয় এইসব তন্নতন্ন খোঁজ করার সুযোগ্য পরিকল্পনাই ইউনেস্কোর হেরিটেজে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়াও অর্থনীতি ও
 ট্যুরিজমের বৃদ্ধি হয়েছে দুর্গার জন্য। সিঁদূরখেলার তাৎপর্য তথ্যচিত্রে চিহ্নিত হল। চিহ্নিত হলো বেশ কিছু ফটোগ্রাফি। বিসর্জন। গঙ্গার পলি তোলা হল। আর হাওড়ার সুভাষ দত্তের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় গঙ্গা দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে যে আন্দোলন ও তার তাৎপর্যপূর্ণ রায় এবং মহালয়ার মতো একটা রিচ্যুয়াল। এক ভোরে সকলের ঘুম ভাঙার গান উদ্বেলিত হল।

•এছাড়াও নানা বই, সিনেমা, বিদেশীদের আগ্রহ থেকে ” পৃথিবী আমারে চায়”- এর বার্তাটি প্রজেক্ট আকারে গেল। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতা ছিল তপতী গুহঠাকুরতার কাছে। সর্বোপরি তিনি কলকাতায় কাজ করছেন এখন এবং বাঙালি। এমন নয় যে তিনি দুর্গাকে নিয়ে ডক্টরেট করেছেন। দুর্গার এই চ্যাপ্টারের পরিকল্পনা করেছেন। বহুজন কাজ করেছেন। একা তপতী গুহঠাকুরতা নন।

•মুসকিল হচ্ছে বামপন্থীদের এখন খেল খতম পয়সা হজমের মতো অবস্থা। কোনও কিছুতেই তারা নেই। তাদের বেশি ট্র্যাটেজি তা হল, কিছুতেই যেন কেন্দ্রীয় সরকারের নাম না বেরিয়ে যায়। অথচ তপতী গুহঠাকুরতাকে কেন্দ্রীয় সরকার একটা প্রজেক্ট দিয়ে তাকে চাকরি বজায় রেখেছেন। উনি অবসরপ্রাপ্ত। উনি বার বার বলছেন এই প্রজক্ট ওনার নয়। বেতন দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকার। যাইহোক ইতিপূর্বে পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ বেরিয়েছিল ওনার। এখানে ইংরেজি প্রবন্ধগুলি কিন্তু বাংলার মান রাখলো। একটা দল তৈরি করলেন তিনি। তাঁকেই উদ্যোগের মাথা করেন ভারত সরকার। সব দায়িত্ব তাঁর। টাকাপয়সা ভারত সরকারের। বহু মানুষ এবং বহু বাড়ি ও ক্লাবের পুজোর আনন্দদান আসলে হেরিটেজ হওয়ার এবং ইউনেস্কো জেতার মূল চ্যাপ্টার।
আবার প্রজেক্ট তৈরিতে একাধিক ফটোগ্রাফার, শিল্পীরা ছিলেন, দপ্তরের অভিজ্ঞ অন্যান্য কর্মকর্তারাও ছিলেন। এটা পিএইচডির থেকে যেহেতু বড় কাজ তাই অনেক লোক লেগেছে। কিন্তু সরকার কাজে কোনও ব্যক্তির প্রাধান্য থাকেনা।

• এখানে বলে রাখা ভালো বাম আমলেই দুর্গার আধুনিক ভাবনা করেছিলেন আর্ট কলেজের শিল্পীরা সেই দিকটি ছবিতে প্রজেক্ট হয়েছে। ১৯৭৮-এর বন্যা ও তার আগের পুজো প্যান্ডেলের ধ্যানধারণাই সম্পূর্ণ বদলে যায় বাম আমলে। তবে এখানে তৃণমূল আমলে কার্নিভালটিও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অনেক পরে মুখ্যমন্ত্রী এটি জানলেও ইউনেস্কো সংস্থা কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে রেখেই এই সম্মান আর একবার উৎসর্গ করেছেন। কারণ এই প্রজেক্ট যারাই করুন রাজ্যকে বাদ দিয়ে করা হয় না। যদিও ২০২১-এর ডিসেম্বরে কেন্দ্রীয় সরকার ও তপতী গুহঠাকুরতা যে সংস্থায় আছেন তারা তা জানতেন যখন ইউনেস্কো এটিকে ঘোষণা করে। ইউনেস্কোর সাইটে এলে সবচেয়ে বড় লাভ পৃথিবী জুড়ে প্রচার পায় এবং অবধারিত ভাবে ট্যুরিজমের উন্নয়ন ঘটে সারা বিশ্বের কাছে। ডলারে ভরে যায়।

• যাদের ছবি ও ভিডিও এই সম্মান এনে দিল তারাও কিন্তু সমানভাবে এইজন্য গর্বিত। কলকাতা মিউজিয়ামের যেমন বই আছে যে দুর্গার সম্পর্কে। কেন দুর্গা মূর্তি চুরির এত পরিকল্পনা এইসব তথ্যও ইউনেস্কো থেকে পুরস্কারের এক একটা সলতে স্বরূপ। কে যেন বলেছিলেন দুর্গা পুজো না থাকলে সন্ধ্যা হেমন্তের উত্থান এই পর্যায়ে হত না। আগেকার দিনে জলশা আর প্যান্ডেলের গানই যেন ছিল ইউনেস্কোর বিজয়ের আরও বড় প্রাপ্তি। আসলে মা দুর্গা তো নিজেই বহুমুখী। আমরা নিশ্চিত আনন্দিত। তাই তপতী গুহঠাকুরতা বলছেন এটা অনেকের কাজ। তবে এখন বামপন্থী আর তৃণমূলের যে নেট যুদ্ধ চলেছে দুর্গার ইউনেস্কো প্রাপ্তি নিয়ে তা বন্ধ হওয়া দরকার। তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু প্রথম থেকেই দুর্গাকে বেছে নিয়েছেন পরিত্রাণের উপায় হিসেবে। কারণ ক্লাব ও জনগণের ভাবাবেগ ও আনন্দ দুর্গাকে নিয়ে চিরস্থায়ী। যাকে শিল্পীরা নতুনভাবে ঐশ্বর্য মন্ডিত করেছেন বাম আমলে। আর এটা কিন্তু হয়েছে বাম আমলে জ্যোতি বাবুর সময়ে যেখানে বামেরা পুজো থেকে শত হাত দূরে ছিলেন সেই সময়। যে সময় আমাদের মধ্যবিত্ত দুর্গাকে ইউনেস্কোতে নিয়ে যেতে শিল্পীরা তাদের ভাবনাকে তুলে ধরার সলতে পাকিয়েছিলেন। ১৯৮১-৮২ সাল নাগাদ তখন একমাত্র সুভাষ চক্রবর্তী ছাড়া আর কেউই এগিয়ে এলেন না। একটা পুরনো ধাঁচের মানসিকতায় বামপন্থী স্টলে বই বিক্রি করাতে পার্টির নির্দেশ হল। বামেরা দুর্গাকে সেই যে হাতছাড়া করে ফেললেন তা আর অত সহজে তারা হাতে পাবেন না, এত বড় ভুল তাদের যে সারা জীবন পস্তানোর মতো। অথচ সুভাষ চক্রবর্তী জ্যোতিবাবুর প্রশ্রয় পেয়ে দিকে দিকে গেছেন, পুজো প্যান্ডেলে। টাকা পাইয়ে দিয়েছেন নানা সংস্থাকে ধরে, সারা পশ্চিমবঙ্গের এমন কোনও ক্লাব ছিলনা যারা সুভাষ চক্রবর্তীর দ্বারা
বড় বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন পাননি। বাংলার দুর্গার সাংস্কৃতিক উত্থান তাই বাম আমলে হলেও তাতে বামেদের সরকার অনেকক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন পর্যন্ত দেয়নি, খুব বড় সংস্থাকে ছাড়া। কংগ্রেসের কালচারে দুর্গা পুজা চিরকাল ছিল তাকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্নিভালে রূপান্তরিত করেছেন এবং বড় কাজ করেছেন বলতেই হবে। যদিও কার্নিভালের জন্যই ইউনেস্কো সাইট খুলেছে তা কিন্তু নয় একেবারেই নয়। ©® অলোককুমার কুন্ডু।


■ Durga culture emerged in the left period but they did not acquire this culture. – Alok Kumar Kundu.

• Here I will start the Bengali Durga Puja with another word. In 1981, the Left increased the salaries of teachers and a large number of government employees during the Left government. Before that, they extensively subjugated the landless. He has helped in every way for cultivation thrice. All this was due to the foresight of a tactful and efficient administrator like Jyoti Bose. He did not condone many anti-Left activities.

• Even during the Left era, Durga Puja pandals changed overnight due to the sudden influx of money into the hands of people in villages and towns. It is noteworthy that the bank co-operatives that later turned on the red light were the ones that built up buildings, employed, raised capital, and managed holiday homes with loans. As a result, Bengali Durga Puja gets feedback from the cities, villages, and villages where a lot of money came into the hands of the people. Co-operative and rural banks which were small scale emerged. A lot of money comes into the market. Agricultural co-operatives reach a great financial position. As a result of Gram Panchayats, the tide of economic development swept across the cities and villages. Those first several roads were also built. From bicycle to bike in the village to the city. Private cars started to happen. When many industries and flat houses started to be built in West Bengal, Durga pujas got a lot of money from there–in the form of donations, in the form of advertisements. Memory increases. In 1982, the price of an advertisement for Durga Puja in Kolkata was 50 thousand rupees.

• Promoting started immediately from there the boys of the neighborhood got jobs and the puja committee started getting donations from both sides. Art colleges and artists were all left-wing then. They also stick with big artists hoping for some extra income. A group of artists comes from other provinces. The word of Bengal’s Durga Puja spread to the villages of other provinces and they were also interested in the earnings that others could earn from it. Although the left government gave a lot of encouragement in this trend of overall development, they never came out in public. Money and money were all around at that time. Heaps of recruitment in school and college services. A lot of work villages around Bengal. Those first artists agreed to pay the clubs whatever they wanted, which was indirectly the Left’s biggest contribution at the time. And for the economic development of the left, at that time the modern form of Durga Puja began to reach all over the world. The West Bengal government introduced bus travel to pujas for natives and foreigners on Jyoti Babu’s initiative. Traveling by tram is planned.

• Read the full inclusion on the UNESCO site. Because there is a kind of false wind and half-truth blowing across Facebook. In fact, the Narendra Modi government, the government that Bengalis always respect, the Central Department of Culture under his prime ministership, after two efforts, finally brought this award to Bengal. There is a despicable attempt to cover it up. I am saying with the responsibility that Narendra Modi may use this issue in the next elections. I’d be surprised if he didn’t. Because looking at the elections here, everyone thinks about the country.

• Now since nobody in West Bengal knows about the UNESCO site, it was not known here that promoting Durga Puja all over the world leads to economic development. Even though Gujarat’s pride was born after Durga, it was included in UNESCO before that. Gujarat is the only state to have a one-time Chief Minister. Most of the heritage sites in India can be found during the Narendra Modi era. All are UNESCO. For this reason, there is 8 lane heritage corridors in Gujarat. Now criticizing without working is a novel science of ours. And it was this science that left the left.

• Let us come back to Durga in Bengal this time. A lot of work has been done on Durga here. I have all the records and I have the most records with Durga. I have been working on the search for Durga for almost a long time. I went to different districts. However, I did not disclose it intentionally. I wanted to make a museum about Durga myself.

•If the government makes a museum of one thousand square feet, I want to give it all. I think this time I will write to both governments. Will give them if India or State Govt wants. Because most of these are collected from sidewalks. There can be 20 rare books. Come on, I don’t know when it will happen. It’s not possible by me alone. Collected for a long time.

• When the Central Government’s Department of Culture first failed to take Durga Puja to UNESCO (for the first time), they found they had Tapati Guthakurta in their hands. He was given the project for the second time by the Department of Culture of the Central Government. Expenditure on Central Govt. The West Bengal Chief Secretary and some ministers knew little about this project. The first one did it only on tourism so the target was not comprehensive.

• Tapati Guthakurta knew a little about how to do this project. He again enlisted the help of two of his students in this task (they remained anonymous), when the task came to him, Tapati madam told it to a few close friends. Two of his students expressed interest in joining the project. They brought some information to Tapati Guthakurta. What was needed here was the identity of civilization from religion, which in the modern world is like Durga.

Edit■ Durga culture emerged in the left period but they did not acquire this culture. ■ দুর্গা সংস্কৃতির উত্থান বাম আমলে হলেও তারা এই সংস্কৃতিকে হাতছাড়া করেছেন। -অলোককুমার কুন্ডু।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তৃণমূলের প্রতি হুমায়নের হুঙ্কার ও বাবরি মসজিদ

তবে যদি হুমায়ূন কবির নাটক না করেন, তবে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে তিনটি দলকে দেখা যাবে যেখানে মুসলমান সমাজের ভাগ হওয়ার  আশঙ্কা থাকছে। তবে এইরকম হবে বলে যারা ভাবছেন, তা নাও হতে পার। কারণ হুমায়ূনের উদ্যোগে লক্ষাধিক জমায়েত হলেও হুমায়ূন কবিরের ব্যাকগ্রাউন্ড খুব একটা শক্তপোক্ত নয়। এখনও পরিষ্কার নয় এই বিষয়টি যে, হুমায়ূন কবিরের এই উদ্যোগ সত্যি কি-না ? কারণ নির্বাচন এলেই হুমায়ূন কবিরের এক একটা উদ্যোগ দেখা যায়। তবে যদি আজকের ঘটনা মনেপ্রাণে সৎ হয় তবে প্রথম ক্ষতি হবে তৃণমূলের। কারণ এই উদ্যোগের সঙ্গে গরিব মানুষকে জড় করতে পেরেছেন হুমায়ূন। উনি একটা মারাত্মক রেসিওর দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছেন। যা সাম্প্রদায়িক হলেও মুসলমান সমাজের প্রচলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতি নজর ঘুরিয়েছেন। যেটা মুসলমান যুব সমাজের কাছে একটা বড় দাবি। কিন্তু এই যে হুমায়ূন কবির এই উদ্যোগ নিলেন, সেখানে স্পষ্ট করেছেন তিনি নিজেই যে, তার এই উদ্যোগের সঙ্গে শুধুমাত্র বাঙালি মুসলমানরা রয়েছেন। অর্থাৎ হায়দ্রাবাদ কেন্দ্রিক মুসলমান রাজনীতির সাহায্য তিনি চান না। তবে বহু মানুষ কিন্তু কি হিন্দু কি মুসলমান সমাজ থেকে এখনই এই বিষয়ে হয়তো ...

বোয়েলিয়া সর্বজনীনের ৫৫ বছর

নারীটের সিংহ পরিবারের দত্ত বাড়ির পুজো